কেকেআরের অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানে এবং মুম্বইয়ের অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ড্য। — ফাইল চিত্র।
নমন ধীর চার মারলেন। তাঁর সঙ্গেই নিশ্চিত হয়ে গেল কলকাতার হার। ১৩ বছর পর প্রথম বার আইপিএলের প্রথম ম্যাচ জিতল মুম্বই। হার দিয়ে আইপিএল শুরু কেকেআরের।
নারাইন এসেই উইকেট নিলেন। আউট করলেন তিলককে। এত ক্ষণ তাঁকে শুধু ফিল্ডিং করানো হয়েছে।
মাত্র ২ ওভার বল করিয়ে বসিয়ে রাখা হয়েছে নারাইনকে। বলই দেওয়া হচ্ছে না তাঁকে। অন্য বোলারেরা নাগাড়ে রান দিয়ে গেলেও নারাইন সুযোগ পাচ্ছেন না। রিঙ্কুর নেতৃত্ব নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন।
দ্বিতীয় রান নিতে গিয়েছিলেন রিকেলটন। ফেরত পাঠান তিলক। পিছনে ফিরতে গিয়ে পারলেন না রিকেলটন। অনুকূলের সরাসরি থ্রোয়ে আউট। ফিরলেন ৪৩ বলে ৮১ রানে।
মুম্বই ১৯৩-৩।
কার্তিকের বলে তুলে মেরেছিলেন সূর্য। ক্যাচ ধরলেন রিঙ্কু। ১৬ করে ফিরলেন সূর্যকুমার।
এ বার রান তোলার দায়িত্ব নিয়েছেন রিকেলটন। ৭ ওভারে আর ৫৮ রান চাই মুম্বইয়ের।
শতরানের দিকে এগোচ্ছিলেন তিনি। বৈভবের বলে তুলে মেরেছিলেন। অনেকটা দৌড়ে অনুকূলের ভাল ক্যাচে ফিরতে হল তাঁকে। ৩৮ বলে ৭৮ করে ফিরলেন রোহিত।
মুম্বইয়ের আর এক ওপেনারও অর্ধশতরানও করে ফেললেন। আর একশোরও কম রান চাই মুম্বইয়ের জিততে।
কেকেআরের কোনও বোলারই পাত্তা পাচ্ছেন না মুম্বই ওপেনারদের কাছে। বরুণ, নারাইনের মতো বোলারকেও তুলে তুলে মারছেন রোহিতেরা।
সহজ ক্যাচ ছাড়লেন বৈভব অরোরা। রিকেলটনকে আউট করার সুযোগ নষ্ট হল।
চোট পেয়ে মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন রাহানে। নেতৃত্ব দিচ্ছেন রিঙ্কু সিংহ। মনে হচ্ছে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট লেগেছে রাহানের। পরিবর্ত হিসাবে নামলেন মণীশ পাণ্ডে।
দুটি ছয় মারলেন রিকেলটন। দুই ওপেনারই আগ্রাসী শুরু করেছেন। কেকেআরের দ্রুত একটি উইকেট দরকার।
মুম্বই ৩৪-০।
রাহানে এবং রঘুবংশীর অর্ধশতরান ও রিঙ্কুর অপরাজিত ৩৩ রানের জোরে মুম্বইয়ের সামনে ২২১ রানের লক্ষ্য রাখল কলকাতা। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে এটি তাদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান।
৪০ বলে ৬৭ করলেন রাহানে। শার্দূলের মন্থর গতির বল চালিয়ে খেলতে গিয়ে হার্দিকের হাতে ক্যাচ দিলেন।
কেকেআর ১৫০-৩।
মাত্র পাঁচ রান দিলেন মুম্বইয়ের বোলার। গ্রিন ফেরার পর কেকেআরের রানের গতি অনেকটাই কমেছে।
প্রথম ম্যাচেই ছন্দে রাহানে। নিজের ‘ঘরের’ মাঠে অর্ধশতরান করলেন। মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়েতে খেলেই বড় হয়েছেন রাহানে।
কেকেআর ১১৯-২।
আবার উইকেট শার্দূলের। অফস্টাম্পের বাইরের বলে চালিয়েছিলেন গ্রিন। ক্যাচ ধরলেন রাদারফোর্ড। ১৮ করলেন গ্রিন।
স্লোয়ার দিয়েছিলেন শার্দূল। তুলে মারতে গিয়ে তিলকের হাতে ক্যাচ দিলেন অ্যালেন। ১৭ বলে ৩৭ করলেন তিনি।
কেকেআর ৭৪-১।
বুমরাহের ওভারে একটি করে চার মারলেন অ্যালেন এবং রাহানে।
Or
By continuing, you agree to our terms of use
and acknowledge our privacy policy
We will send you a One Time Password on this mobile number or email id
Or
By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy