Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

০৫ অক্টোবর ২০২২ ই-পেপার

URL Copied

খেলা

পর পর চার ম্যাচে হার, মুম্বই ভীতিই কি হারিয়ে দিল চেন্নাইকে?

নিজস্ব প্রতিবেদন
কলকাতা ১৩ মে ২০১৯ ০৮:০৪
শেষ বলে ম্যাচ ছিনিয়ে নিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। মহেন্দ্র সিংহ ধোনির চেন্নাই ফাইনালেও হেরে গেল রোহিত শর্মার মুম্বইয়ের কাছে।রুদ্ধশ্বাস ফাইনাল জিতে নিলেন বুমরা, মালিঙ্গারা। ঠিক কী কারণে মুম্বইয়ের কাছে এভাবে হেরে গেলেন মাহিরা?

মুম্বইয়ের ১৪৯ রান তাড়া করতে নেমে দু’ প্লেসি বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারলেন না। ফিরে যেতে হল দুয়ের ঘরেই।
Advertisement
সুরেশ রায়না আইপিএলের অন্যতম সফল ব্যাটসম্যান হলেও একেবারেই আত্মবিশ্বাসী মনে হয়নি তাঁকে, তাই দ্রুত আউট হয়ে যাওয়াটা সতীর্থদের মনোবলও ভেঙে দিয়েছিল।

চেন্নাইয়ের হয়ে চার নম্বরে খেলতে আসা অম্বাতী রায়ুডুর দায়িত্ব ছিল অনেকটাই বেশি, কিন্তু রায়ুডু পারলেন না। অন্যদিকে মুম্বইয়ের কিয়েরন পোলার্ড কিন্তু ছয় নম্বরে খেলতে নেমে ২৫ বলে ৪১ করে এগিয়ে দিয়েছিলেন দলকে।
Advertisement
চতুর্থ বার আইপিএল জেতার স্বপ্নপূরণ হল মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের। সচিন তেণ্ডুলকরও বললেন,  ‘‘ধোনির রান-আউট। আমার মতে সেটাই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দিয়েছে।’’

মাত্র ২ রানে মাহির ফিরে যাওয়াটা বড় ধাক্কা ছিল চেন্নাইয়ের কাছে। তাই মাহিকে রান আউট করা ঈশান কিষানকে জয়ের নায়ক বললে ভুল হবে না।

মিডল অর্ডার ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতার অভাবই এ বার ডুবিয়েছে চেন্নাইকে, বললেন ধোনিও। ডোয়েন ব্রাভোও পারলেন না ম্যাচ টানতে।

৫৯ বলে ৮০ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেও কাজে লাগল না শেন ওয়াটসনের ইনিংস। ১৯.৪ ওভারে হার্দিকের থ্রো ধরে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স উইকেটকিপার কুইন্টন ডি’কক দুরন্ত ক্ষিপ্রতার সঙ্গে উইকেট ভেঙে দেন। স্বপ্ন ভেঙে যায় চেন্নাইয়ের।

শেষ বলে জেতার জন্য চেন্নাইয়ের দরকার ছিল ২ রান। মালিঙ্গার বল উইকেটের সামনে খুঁজে নেয় শার্দুল ঠাকুরের পা। সেটাই ছিল টার্নিং পয়েন্ট।

দীপক চহার ধাক্কা দেন মুম্বই শিবিরে। অধিনায়ক রোহিত শর্মা ১৫ রান করে আউট হন।  চাহার (৩) ইমরান তাহির (২)ও শার্দূল ঠাকুরও (২) হল হাতে সফল, কিন্তু পারলেন না ব্যাটসম্যানরা।

চহার ভাল খেললেও তৃতীয় ওভারেই তিনটে ছয় মারে তাঁকে কুইন্টন ডি’কক। ওই ওভারের পরে দীপকের বোলিং হিসাব দাঁড়ায় ২-০-২২-০। তবুও ধোনি পাওয়ার প্লে-তে তাঁকেই বল দেন। এ ক্ষেত্রে নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ।

চার ওভারে মাত্র ১৪ রান দিয়ে দু’উইকেট তুলে নিয়েছেন যশপ্রীত বুমরা। গতি পরিবর্তন করেও ব্যাটসম্যানদের ছন্দ পেতে দেননি তিনি।বুমরা শর্ট অব লেংথে শরীর তাক করে বল করে গিয়েছেন।

বুমরার প্রায় সব বলই কাঁধের উচ্চতায় উঠে এসেছে। এই সব বল ব্যাটসম্যানদের পক্ষে মারা কঠিন। বিশেষ করে সে সব বল যদি ঘণ্টায় ১৪৫ থেকে ১৫০ কিলোমিটার গতিতে করা হয়।

১৯ নম্বর ওভারে রোহিত শর্মা বল তুলে দেন বুমরার হাতে। ওই ওভারে পাঁচ রান দিয়ে এক উইকেট তুলে নেয় ভারতীয় পেসার। ১৯তম ওভারটাই ম্যাচ ঘুরিয়ে দেয়।

রাহুল চহারের বয়স মাত্র ১৯। কিন্তু নজর কাড়লেন তিনি। গুগলি, ফ্লিপার-সহ অনেক বৈচিত্র। সঙ্গে লাইন ও লেংথও ভাল। চার ওভারে ১৪ রান দিয়ে রাহুলের এক উইকেটের স্পেলটাও মুম্বইয়ের জয়ের অন্যতম একটা কারণ। 

মুম্বইয়ের কাছে একের পর এক ম্যাচে হেরে আত্মবিশ্বাসের দিক থেকে খানিকটা পিছিয়ে ছিল চেন্নাই। মুম্বইয়ের অধিনায়ক রোহিত শর্মা ক্যাপ্টেন কুল মাহির থেকে এই জায়গাটায় এগিয়ে গেলেন।