• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৮, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

Mamata
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল চিত্র।

এই মুহূর্তে রাজ্যে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৮। আগামী শুক্রবার আরও ৯ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবেন। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ১২ জন সুস্থ হয়েছেন। শুক্রবার নবান্নে এমনটাই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

এ দিন মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজ্যে এই মুহূর্তে সক্রিয় ভাবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৮। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ওই সংখ্যা ছিল ৩৪। এ ছাড়াও মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, উত্তরবঙ্গে কালিম্পঙের যে মহিলা করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন, তাঁর পরিবারের আরও ৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘একই পরিবারের ১০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। আগেই ভর্তি হয়েছিলেন ৪ জন। আরও ৬ জনের খবর পাওয়া গিয়েছে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

নবান্ন সভাঘরে এ দিন সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বলেন, ‘‘করোনা নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হবেন না। আমাদের চিকিৎসায় অনেকেই সুস্থ হয়ে উঠছেন।” তিনি পরিসংখ্যান দিয়ে বলেন, রাজ্যে মোট ২০৬ টি কোয়রান্টিন সেন্টার তৈরি করা হয়েছে। সরকারি কোয়রান্টিন সেন্টারে এই মুহূর্তে রয়েছেন ১ হাজার ৮৯২ জন। ছাড়া পেয়েছেন ৩ হাজার ২১৮ জন। কোভিড-১৯ এর চিকিৎসার জন্য রাজ্যে ৫৯টি হাসপাতালকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: হাসপাতালে অশ্লীল আচরণ, নগ্ন ঘুরে বেড়ানোর অভিযোগ নিজামউদ্দিন-ফেরতদের বিরুদ্ধে

মুখ্যমন্ত্রী এ দিন কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘‘অনেকেই  চাইছেন না তাঁর এলাকার হাসপাতালে কোভিডের চিকিৎসা হোক। যাঁরা বলছেন হবে না, তাঁরা কি ঠিক করবেন, কোথায় চিকিৎসা হবে? মহামারি আইন অনুযায়ী সরকার সিদ্ধান্ত নেবে কোন হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে।” তিনি বলেন, ‘‘এমআর বাঙুর হাসপাতালকে কলকাতার কোভিড-১৯ হাসপাতাল করা হয়েছে। সেখানকার রোগীদের এসএসকেএম, শম্ভুনাথ পণ্ডিত এবং কলকাতা পুলিশ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হচ্ছে।’’

আরও পড়ুন: নিজামউদ্দিনে যোগ দেওয়া ৬৪৭ জনের করোনা পজিটিভ, জানাল কেন্দ্র

এ দিন মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ রাজ্যে লকডাউন সবচেয়ে ভাল হচ্ছে। বাংলা যা করে দেখিয়েছে, তা মডেল। তিনি এ দিন পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, ‘‘ওঁরা আইন-শৃঙ্খলা সামলাচ্ছে, রেশনের লাইন সামলাচ্ছে আবার প্রতি দিন ১ হাজার ৩০০ ইউনিট রক্ত দিয়ে থ্যালাসেমিয়া রোগীদের রক্তের জোগান দিচ্ছেন।” তিনি এ দিন পার্সোনাল প্রোটেকটিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই), গ্লাভস, হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং মাস্কের কত বরাত দেওয়া হয়েছে এবং এখনও পর্যন্ত কত পরিমাণে পৌঁছেছে তার পরিসংখ্যান দিয়ে বলেন, ‘‘সমস্ত জেলাতে প্রয়োজনমাফিক সরঞ্জাম পৌঁছেছে।’’

(অভূতপূর্ব পরিস্থিতি। স্বভাবতই আপনি নানা ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের সঙ্গে। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিয়ো আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন, feedback@abpdigital.in ঠিকানায়। কোন এলাকা, কোন দিন, কোন সময়ের ঘটনা, তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই দেবেন। আপনার পাঠানো খবরটি প্রকাশযোগ্য বলে বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।)

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন