ঘটনার দশ মাস পরে আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন খয়রাশোলের তৃণমূল নেতা খুনে অন্যতম অভিযুক্ত অজিত ধীবর। অজিতবাবু খয়রাশোল পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল সদস্যও বটেন। শুক্রবার দুবরাজপুর আদালতে অত্মসমর্পণ করলে বিচারক তাঁকে ১৪ দিনের জন্য জেল হাজতে থাকার নির্দেশ দেন। প্রসঙ্গত, গত বছর ১৬ অগস্ট রাত ৮টা ২০মিনিট নাগাদ বাড়ির মনসাপুজোর ফল কিনতে বেড়িয়ে, বাড়ি থেকে ১০০ মিটার দূরে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন তৃণমূলের খয়রাশোলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি অশোক মুখোপাধ্যায়। দুটি মোটর বাইকে পাঁচজন দুষ্কৃতী ওই হামলা চালিয়েছিল বলে অভিযোগ। পরদিন দলেরই বিরোধী অশোক ঘোষ(যিনি ২০১৩ সালের অগস্টে একই ভাবে খুন হয়েছিলেন) গোষ্ঠীর নেতা কর্মী ও অনুগামী মিলিয়ে মোট ৪৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে অশোক ঘোষের ভাই দীপক ঘোষ, ছেলে বিশ্বজিৎ ঘোষ, অজিত ধীবর-সহ বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতা-কর্মীর নাম ছিল। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, ওই নেতাকে খুন করতে বরাত দেওয়া হয়েছিল ভাড়টে খুনিদের। বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতা কর্মী সহ পাঁচজন ভাড়াটে খুনিকেও গ্রেফতার করে পুলিশ। কিন্তু অজিত ধীবর বা দীপক ঘোষেদের নাগাল পায়নি তারা। শেষ পর্যন্ত গত ৫ ডিসেম্বর খয়রাশোলের ওই নেতা খুনে যে ১৮ জনের বিরুদ্ধে দুবরাজপুর আদালতে যে চার্জশিট পেশ করে পুলিশ, তাতে নাম ছিল আজিতবাবুরও। এ দিকে, অশোক ঘোষের ছেলে  জামিন পেয়েছেন। তবে মূল অভিযুক্ত দীপক ঘোষ এখনও অধরা।