দেশের বর্তমান বিজেপি-শাসনকে ফের ‘সুপার এমার্জেন্সি’ হিসেবে চিহ্নিত করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভা ভোটের আগে বেশ কিছু ঘটনায় এ ভাবেই সরব হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ১০০ দিন পেরোনো দ্বিতীয় মোদী সরকারকে আক্রমণের পাশাপাশি  প্রতিরোধের কথাও বলেছেন তিনি। ‘আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস’ উপলক্ষে রবিবার মুখ্যমন্ত্রী টুইট-বার্তায় বলেন, ‘‘এই সুপার এমার্জেন্সির জমানায় সাংবিধানিক অধিকার ও স্বাধীনতা রক্ষার জন্য যা যা করতে হবে, আমরা তা অবশ্যই করব।’’ রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এ ভাবে মোদী-সরকারকে আক্রমণ করে বিজেপি-বিরোধী শক্তিগুলিকে ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টাও করেছেন তৃণমূল নেত্রী।

এনআরসি-র প্রতিবাদে মোদী সরকারের সঙ্গে নতুন করে সংঘাতের পথে নেমেছে তৃণমূল। বিধানসভায় প্রস্তাব পাশের পাশাপাশি রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে পথে নেমে পড়েছে শাসক দল। হিন্দি ভাষা নিয়ে শুরু চাপান-উতোরে গত ৪৮ ঘন্টায় তাতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। এই অবস্থায় এ দিন টুইট করে ফের মোদী-সরকাকে বিঁধেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, ‘‘আজ আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসে আসুন আমরা সকলে মিলে দেশের সাংবিধানিক পরিকাঠামো অক্ষুণ্ণ রাখার অঙ্গিকার নিই।’’ রাজনৈতিক শিবিরের মতে, বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় আসার পরে মোদী সরকারের ১০০ দিন অতিক্রান্ত। এখন থেকেই মমতা বিজেপি-বিরোধী শক্তিগুলিকে একত্রিত করতে চাইছেন। সেই কারণেই প্রতিবাদের পাশাপাশি প্রতিরোধের কথাও বলেছেন তিনি। 

বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ অবশ্য বলেন, ‘‘এ রাজ্যে গণতন্ত্র ধ্বংস করেছেন মমতা। বিরোধীরা খুন হচ্ছেন। তিনি তো সারা দেশ ঘুরে মোদীজি’র বিরোধিতা করেছেন। কেউ তো বাধা দেয়নি!’’