জনজাতি সমর্থন ফেরাতে তৃণমূলের জন্য নতুন ‘প্রেসক্রিপশন’ তৈরি করলেন প্রশান্ত কিশোর। লোকসভা ভোটে ধাক্কা খাওয়ার পর বিধানসভা ভিত্তিক তফসিলি জাতি ও উপজাতি অংশের জন্য একেবারে আলাদা ‘টিম’ তৈরির পরামর্শ দিয়েছেন প্রশান্ত। দলের সক্রিয় কর্মীদের মধ্যে থেকে বিভিন্ন পেশার এই রকম ১০ জনের নাম চাওয়া হয়েছে।  

সব বিধানসভা কেন্দ্রেই জনজাতি সমর্থনে কমবেশি ঘাটতি হয়েছে তৃণমূলের। লোকসভা ভোটে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু আসনের ফলাফলে এই প্রবণতা স্পষ্ট। এই প্রেক্ষিতে প্রত্যেক বিধানসভার দলীয় বিধায়ক ও পরাজিত প্রার্থীদের কাছ থেকেই এইরকম পার্টিকর্মীদের নাম চাওয়া হয়েছে। দু’একটি জেলা থেকে ১৫ জনের নামও চাওয়া হয়েছে। এক নেতার কথায়, ‘‘দলের তরফে সমাজের সব অংশের সঙ্গে জনসংযোগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জনজাতি অংশের চাওয়া-পাওয়া বুঝতে এইধরনের সমর্থকদের ব্যবহার করা হবে। প্রয়োজনে তাঁদের পরামর্শের ভিত্তিতে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তও নেওয়া হবে।’’

পাশাপাশি জনসংযোগ কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্বে সাংসদদেরও যুক্ত করার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে। সেই লক্ষ্যেই আগামী ২ সেপ্টেম্বর দলের সাংসদ ও জেলা সভাপতিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথম পর্যায়ে বিধায়ক ও তার নীচের তলার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জনসংযোগের কাজ করেছেন। বিজেপি অবশ্য মনে করছে, আর কোনও পদক্ষেপেই তৃণমূলের জনজাতি সমর্থন ফিরবে না।