কোটা বাতিলের ফলে স্নাতকোত্তর চিকিৎসাবিদ্যার কিছু পড়ুয়া বিপাকে পড়েছিলেন। তাঁদের কিছুটা স্বস্তি দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট শুক্রবার জানিয়ে দিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের যে-সব কর্মরত চিকিৎসক চলতি বছরে এমডি-এমএসে ভর্তি হয়েছেন, আপাতত তাঁরা পড়া চালিয়ে যেতে পারবেন।

কর্মরত চিকিৎসকদের আইনজীবী কল্লোল বসু ও সুমন বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এমডি-এমএসে ভর্তির জন্য রাজ্যের কোটা বাতিল করে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। তার জেরে রাজ্য সরকার এবং কর্মরত চিকিৎসকদের একাংশ সর্বোচ্চ আদালতে আপিল মামলা দায়ের করেন। বিচারপতি অরুণ মিশ্র ও বিচারপতি ইন্দিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ এ দিন সেই মামলা গ্রহণ করে জানিয়েছে, যে-সব চিকিৎসক (২৮৫ জন) এমডি-এমএসে ইতিমধ্যে ভর্তি হয়ে গিয়েছেন, তাঁরা আপাতত পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারবেন। আপিলের পরবর্তী শুনানি হবে ১৪ নভেম্বর।

২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে এমডি-এমএসে কর্মরত সরকারি চিকিৎসকদের ভর্তির জন্য ৪০ শতাংশ আসন সংরক্ষণের নীতি নেওয়া হয়। সেই নীতিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এপ্রিলে হাইকোর্টে মামলা করেন কয়েক জন চিকিৎসক। তাঁদের অন্যতম আইনজীবী অমিয় দত্ত জানান, হাইকোর্টের বিচারপতি সম্বুদ্ধ চক্রবর্তী ও বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ ১ অক্টোবর রায় দিয়েছিল, কর্মরত চিকিৎসকদের জন্য এমডি-এমএসে ভর্তির ৪০% আসন সংরক্ষণ অসাংবিধানিক। ওই বেঞ্চ জানায়, ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে রাজ্যের কোটার ৪০ শতাংশ আসনে যাঁদের ভর্তি করা হয়েছিল, সেই ২৮৫ জনের ভর্তি বাতিল করা হচ্ছে।