• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

গণপিটুনিতে কালিয়াচকে হত দুই ভাই

Dead Body
প্রতীকী ছবি।

এক হাতুড়ে ডাক্তারকে খুনের অভিযোগে এত দিন বিচারাধীন বন্দি ছিল সাদিকুল শেখ। সদ্য বৃহস্পতিবার জামিন পেয়েছে সে। শুক্রবার এলাকায় এক জলসা চলাকালীন সেখানে গিয়ে মদ্যপ অবস্থায় হম্বিতম্বি শুরু করে। তার পরে পিস্তল বের করে শূন্যে তিন-চার রাউন্ড গুলি চালায় বলেও অভিযোগ। এই ঘটনায় প্রচণ্ড ক্ষিপ্ত কালিয়াচকের গয়েশবাড়ি বাখরপুর চাঁদপাড়া গ্রামের বাসিন্দারা পাল্টা তাড়া করে তাকে। শেষে সাদিকুল (৩৮) ও তার দাদা সরিফুল শেখকে (৪২) গণধোলাইয়ে খুন করা হয়। ভাঙচুর করে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয় দুই ভাইয়ের বাড়িতে।

শুক্রবার রাতের এই ঘটনার পরে শনিবারও রাগ পড়েনি স্থানীয়দের। চাঁদপাড়া, মাস্টারপাড়া তো বটেই, এমনকী সুজাপুর এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকা জুড়ে দুষ্কৃতীরাজ যেমন কায়েম হয়েছে, তেমনি এলাকায় বেআইনি মদ-সহ নেশার সামগ্রীর বিক্রিও বেড়েছে। অভিযোগ, পুলিশ নির্বিকার। এই কারণে ওই এলাকায় এমন যাবতীয় ঠেক ভেঙে আগুন ধরিয়ে দেয় এক দল মানুষ। পরে বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

পুলিশ জানায়, সাদিকুল ও তার দাদা সরিফুল এলাকায় দাগী অপরাধী হিসেবেই চিহ্নিত। তাই নিয়মিত হম্বিতম্বি, শাসানো ধমকানো চালাত তারা। স্থানীয় সূত্রে খবর, শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক সংলগ্ন গয়েশবাড়ি মাস্টারপাড়া এলাকায় জলসা চলছে। রাত দশটায় সাদিকুল সেখানে যায়। তার পরেই গোলমাল শুরু। কিন্তু সে গুলি চালানোর পরে এলাকার মানুষ একজোট হয়ে তাকে তাড়া করে।

প্রথমে সাদিকুলের বাড়িতে চড়াও হয়ে তা ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা। সাদিকুলের স্ত্রী নাসতারা বিবি তিন ছেলেমেয়েকে নিয়ে পালিয়ে প্রাণ বাঁচান। তার পরে সাদিকুলের একটি নেশার ঠেকে হানা দেয় জনতা। সেখানে দাদা সরিফুল ছিল। উত্তেজিত জনতার দিকে ঢিল ছুড়ে পালাতে যায় সে। কিন্তু তাকে ধরে পিটিয়ে খুন করা হয়ে সেখানেই। তার পরে বাড়ির পাশ থেকে টেনে বের করা হয় সাদিকুলকেও। তারও একই দশা হয়।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন