প্র: চাঙ্কি পাণ্ডের মেয়ে বলেই কি অভিনয়ে আসাটা স্বাভাবিক ছিল?

উ: সিনেমার পোকা ছোটবেলা থেকেই মাথায় ছিল। আমার বেস্টফ্রেন্ড সুহানা (শাহরুখ-গৌরীর মেয়ে), শানায়া (সঞ্জয় কপূরের মেয়ে) আর আমি মায়েদের নকল করে অ্যাক্টিং গেম খেলতাম। আমাদের মায়েরা যে ভাবে আড়ালে আমাদের নিন্দে করতেন, সেটাই অভিনয় করে দেখাতাম! প্রথমে মা-বাবার মনে হয়েছিল, এটা সাময়িক। কিন্তু স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠানে আমার অভিনয় দেখে তাঁরা নিশ্চিত ছিলেন, অভিনয়েই আসব।

প্র: ‘রইস’-এ অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর ছিলেন। সেই অভিজ্ঞতা কেমন?

উ: ফিল্মের সেটে যা শেখা যায়, তা হয়তো কোনও অ্যাক্টিং স্কুলেও শেখা যায় না। ‘রইস’-এর সেটে আমার কাজ ছিল শটের আগে অভিনেতাদের ডেকে নিয়ে আসা। শাহরুখ স্যরকে প্রথম ছবির সেটে দেখার অভিজ্ঞতাই আলাদা! তবে বাবার ছবির সেটে কখনও যাইনি। 

প্র: আপনার অভিনয়ে আসা নিয়ে বা ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে টিপস দিয়েছেন বাবা?

উ: বাবা আমার ছবির সেটেও আসেননি। কারণ ওঁর মনে হয়েছিল, ওঁর মতামত আমাকে প্রভাবিত করতে পারে। বাবাকে দেখে অনেক কিছু শিখেছি। আজও রেস্তরাঁয় খেতে গিয়ে যদি কোনও ফ্যান এসে বাবার কাছে সেলফির জন্য আবদার করেন, বাবা হাসি মুখে ছবি তোলেন। বাবা নিজের কেরিয়ারে অনেক ব্যর্থতা এবং সাফল্য দেখেছেন। বাবার ছবি ‘আঁখে’তে একটা গান আছে, ‘লাল দোপাট্টেওয়ালি...’ ওই গানটার সঙ্গে আমার পারফর্ম করার খুব ইচ্ছে। তবে বাবার কোনও ছবি আমি সে ভাবে দেখিনি। পুরনো তো (হেসে)!

দিল্লি দখলের লড়াইলোকসভা নির্বাচন ২০১৯

প্র: নেপোটিজ়ম নিয়ে কী মত?

উ: স্বজনপোষণ সব ইন্ডাস্ট্রিতেই থাকে। কিন্তু ইন্ডাস্ট্রিতে টিকতে গেলে পরিশ্রমের কোনও বিকল্প নেই। আমার ঠাকুরদা-ঠাকুমা দু’জনেই ডাক্তার ছিলেন। কিন্তু বাবা অভিনয়কে পেশা হিসেবে বেছে নেন। আমি চাইব, বাবা যেন আমাকে নিয়ে গর্ববোধ করেন। 

প্র: সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনার ফিগার নিয়েও অনেকে মন্তব্য করেন। কী বলবেন?

উ: অনেকেই আমাকে কঙ্কাল বলেন। আমার পা দুটো খুব রোগা আর লম্বা বলে... আমার বয়স এখন ২০। বেশি মাথা ঘামাই না এ সব নিয়ে।