মেঘলার কাছে ‘মাটি’ যদি ঘরে ফেরার গল্প হয়, তা হলে পাওলির কাছে সেটা রিইউনিয়ন। বড় পর্দায় কাজ শুরুর আগে টেলিভিশনে প্রচুর কাজ করেছেন পাওলি দাম। ‘মাটি’র পরিচালক লীনা গঙ্গোপাধ্যায় ও শৈবাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ছোট পর্দায় শেষ প্রজেক্ট করেছিলেন।

গুয়াহাটি থেকে ফোনে বলছিলেন, ‘‘রিইউনিয়ন বলা যায়। আবার নস্ট্যালজিয়াও বলতে পারেন। আমার শেষ টেলিভিশন প্রজেক্ট ‘চেনা অচেনা’ করেছিলাম লীনাদি আর শৈবালদার সঙ্গে। তাই ‘মাটি’র প্রস্তাব পেতে এক কথায় রাজি হয়ে গিয়েছিলাম।’’ লীনা-শৈবালের জুটি ছোট পর্দায় হিট। এ বার তাঁরা বড় স্ক্রিনে ডেবিউ করছেন। ‘‘লীনাদি ওঁর লেখার জন্য প্রসিদ্ধ। এত ভাল চিত্রনাট্য লেখেন। আর ওঁর লেখা নারীচরিত্র ভীষণ বলিষ্ঠ। ওঁদের ধারাবাহিকগুলো দেখলেও সেটা বোঝা যায়,’’ মন্তব্য পাওলির।

ছবিতে তাঁর চরিত্রের নাম মেঘলা। পাওলি নিজেও ছবির কাহিনির সঙ্গে রিলেট করতে পেরেছেন। তাঁর বাবা ফরিদপুরের, মা যশোরের। ‘‘দেশ ভাগের যন্ত্রণা, উদ্বাস্তু সমস্যা নিয়ে আমি অনেক গল্প শুনেছি। ‘মাটি’ করতে এসে সেগুলো মেলাতে পারছিলাম,’’ বলছিলেন পাওলি। ছবিতে তাঁর সঙ্গে রয়েছেন আদিল হুসেন, সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়ের মতো অভিনেতারা।

জুলাইয়ের দ্বিতীয় সপ্তাহেই ‘মাটি’ মুক্তি পাচ্ছে। এর পর রয়েছে তাঁর হিন্দি ছবি ‘হালকা’। আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রশংসিত হয়েছে সেই ছবি। রয়েছে, ‘তৃতীয় অধ্যায়’ আর ‘কণ্ঠ’। প্রথম সারির সব অভিনেতাই এখন ওয়েব সিরিজ়ে আগ্রহী। অভিনেত্রী জানালেন, বেশ কয়েকটা প্রজেক্ট নিয়ে কথা চলছে তাঁর। ‘‘ওয়েব সিরিজ় এখন ইন থিং। আর সিনেমার সঙ্গে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কাজ করার মধ্যে তো কোনও দ্বন্দ্ব নেই। ভাল প্রজেক্ট হলে আমি আগ্রহী,’’ বক্তব্য পাওলির।