হঠাৎই থমকে গেল রাজা চন্দ পরিচালিত বনি সেনগুপ্তর নতুন ছবির শ্যুটিং, যার সিংহভাগ কাজ হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। বনি ও এসভিএফ-এর মধ্যে চুক্তি সংক্রান্ত আইনি জটিলতার কারণেই তৈরি হয়েছে এই পরিস্থিতি।

জানা গিয়েছে, এসভিএফ-এর বাইরে অন্য প্রোডাকশন হাউসে কাজ করার জন্যই মাসখানেক আগে এসভিএফ-এর তরফ থেকে লিগ্যাল নোটিস পাঠানো হয়েছে অভিনেতাকে। এর আগেও সুরিন্দর ফিল্মসের সঙ্গে কাজ করেছেন বনি। তখন অবশ্য এসভিএফ এবং সুরিন্দর ফিল্মস যৌথ ভাবে কাজ করত। সম্প্রতি বিচ্ছেদ ঘটেছে এই দুই প্রোডাকশন হাউসের। গোটা বিষয়টিই এখন আদালতের আওতায়। ইতিমধ্যে কয়েক বার সেই মামলার শুনানিও হয়েছে। বনির তরফে অভিনেতার মা পিয়া সেনগুপ্তই গোটা বিষয়টির দেখভাল করছেন।

সূত্রের খবর, এসভিএফ-এর সঙ্গে বনির চুক্তির শুরুতে বছরে দু’টি করে ছবির কথা হয়েছিল। পারিশ্রমিক দেওয়া হতো মাসিক কিস্তিতে এবং তিনি এসভিএফ-এর বাইরে অন্য কোথাও কাজ করতে পারতেন না। সেই চুক্তির পুনর্নবীকরণ হয় পরবর্তী সময়। গত বছর জুলাইতে শেষ বার পেমেন্ট পেয়েছিলেন বনি। স্বভাবতই তিনি ভেবেছিলেন চুক্তি শেষ হয়েছে। তাই সুরিন্দর ফিল্মসের সঙ্গে কাজ শুরু করেন। তবে সম্প্রতি এসভিএফ থেকে বনিকে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জুন পর্যন্ত চুক্তি রয়েছে। এর মধ্যে অন্য কোনও হাউসে কাজ করতে পারবেন না তিনি। এ ব্যাপারে এসভিএফ-এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, তারা জানায়, আদালতের বিচারাধীন বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি নয় তারা। অন্য দিকে সুরিন্দর ফিল্মসের কর্ণধার নিসপাল সিংহ জানালেন, ‘‘বিষয়টির মীমাংসা হলেই শ্যুট শুরু হবে।’’ শোনা যাচ্ছে, সুরিন্দর ফিল্মসের সঙ্গে আরও একটি ছবিতে কাজের কথা রয়েছে বনির। এ দিকে এসভিএফ-এর প্রযোজনায় ঋত্বিকার বিপরীতে একটি ছবির কাজও শেষ করেছেন বনি। খুব শিগগিরই মামলার পরবর্তী শুনানি। সেই দিনই হয়তো রায় বেরোতে পারে মামলার। তার পর বোঝা যাবে কোন খাতে বইতে চলেছে বনির কেরিয়ার। তবে এই ঘটনায় প্রকাশ্যে এসে গেল দুই প্রোডাকশন হাউসের দ্বন্দ্ব।

মেকআপ: প্রসেনজিৎ বিশ্বাস