এই বছরের শুরুতেই ইরফান খান জানিয়েছিলেন, তিনি নিউরোএনডোক্রাইন ক্যানসারে আক্রান্ত। তার পর থেকে চিকিৎসার জন্য লন্ডনেই আছেন ইরফান। ক্যানসারের শিকার হয়েছেন সোনালি বেন্দ্রেও। বুধবার টুইটারের মাধ্যমে জানান, মেটাস্ট্যাটিক ক্যানসারে ভুগছেন তিনি। চটজলদি সিদ্ধান্ত নিয়ে চিকিৎসার জন্য নিউ ইয়র্কে পাড়ি দিয়েছেন অভিনেত্রী।

টুইটারে সোনালি লিখেছেন, ‘‘জীবন যে কখন খারাপ পরিস্থিতির সামনে দাঁড় করায়, বলা মুশকিল। আগে থেকে কিছুই আন্দাজ করা যায় না। কয়েক দিন ধরেই যন্ত্রণা হচ্ছিল শরীরে। পরীক্ষা করে দেখা গেল, মেটাস্ট্যাটিক ক্যানসার। ডাক্তারের পরামর্শে নিউ ইয়র্কে আমার চিকিৎসা তড়িঘড়ি শুরুও হয়ে গিয়েছে। আমি আশাবাদী। লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত।’’ পরিবার এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা সঙ্গে রয়েছেন সোনালির।

এই খবরে স্বাভাবিক ভাবেই ভেঙে পড়েছেন মুম্বই ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই। কর্ণ জোহর টুইটারেই সমবেদনা জানিয়েছেন, ‘সত্যিকারের লড়াকু মানুষ তুমি, তোমার জন্য রইল ভালবাসা এবং ঈশ্বরের আশীর্বাদ।’ অজয় দেবগণ টুইট করেছেন, ‘তোমার সঙ্গে আমাদের প্রার্থনা রয়েছে। শক্ত থাকো। ক্যানসারকে হারিয়ে দিয়ো।’ অনিল কপূর লিখেছেন, ‘খুব তাড়াতাড়ি তোমাকে সুস্থ দেখতে চাই। অনেক ভালবাসা...’

মুম্বইয়ে সোনালি নিজের কেরিয়ার শুরু করেছিলেন মডেলিং দিয়ে। তাঁর প্রথম হিন্দি ছবি ‘আগ’, গোবিন্দের সঙ্গে। ছবিটা ফ্লপ করলেও সোনালি নজরে পড়ে যান প্রযোজক-পরিচালকদের। তার পর ‘দিলজ্বলে’, ‘ডুপ্লিকেট’, ‘মেজর সাব’, ‘হম সাথ সাথ হ্যায়’, ‘সরফরোশ’ হয়ে ‘কল হো না হো’— সোনালির কেরিয়ারে ছবির সংখ্যা প্রচুর। ‘হম সাথ সাথ হ্যায়’ করার সময়ে সলমন খান এবং বাকিদের সঙ্গে কৃষ্ণসার হরিণ শিকার বিতর্কে নাম জড়ায় সোনালিরও।

নব্বইয়ের দশকের অত্যন্ত জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীর রোগাক্রান্ত হওয়ার খবরে স্বাভাবিক ভাবেই মুহ্যমান তাঁর ভক্তরা। মেটাস্ট্যাটিক ক্যানসারে শরীরের যে অংশ প্রথম আক্রান্ত হয়, সেখান থেকে ক্যানসার সেল শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্তের মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং সেই সব অংশে মেটাস্ট্যাটিক টিউমর তৈরি করে। এই জটিলতা কাটিয়ে সোনালির শীঘ্র আরোগ্য কামনা করছেন সকলেই।