কনটেন্টই প্রধান

গত ক’বছরে এটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে, গল্প ছাড়া দর্শককে আর কিছু দিয়ে আকর্ষণ করা সম্ভব নয়। সে দিক থেকে বলা যায়, ২০১৯-এ কনটেন্ট রাজত্ব করবে। ফেব্রুয়ারি মাসে আসছে অনীক দত্তর ‘ভবিষ্যতের ভূত’। অনীকের ছবিতে গল্প সব সময়েই জোরালো। তার সঙ্গে ভূত, থ্রিলার... সব মিলিয়ে ‘ভবিষ্যতের ভূত’ দর্শক টানবে আশা করা যায়। তাঁদের ছবিতে স্টার থাকুক না-থাকুক শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়-নন্দিতা রায়ের নামেই দর্শক হলে যান। পাওলি দাম, জয়া আহসান এবং শিবপ্রসাদ অভিনীত ‘কণ্ঠ’ এই বছরের উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে একটি। পরিচালকদ্বয়ের ‘বেলাশুরু’ আসবে কালীপুজোর সময়ে।

এপ্রিল মাসে কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়-প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের ‘জ্যেষ্ঠপুত্র’র রিলিজ়। বাড়তি পাওনা, এ ছবির গল্প ঋতুপর্ণ ঘোষের। বাদ রাখা যাবে না কৌশিকের জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ছবি ‘নগরকীর্তন’কেও। অনেক দিন পরে অপর্ণা সেন ছবি করছেন। মে মাসে মুক্তি পাওয়ার কথা ‘ঘরে বাইরে আজ’-এর। অগস্টে দর্শকের জন্য রয়েছে অঞ্জন দত্তের ‘অপারেশন রাইটার্স’। এই বছরই সৌমিক সেনের ‘মহালয়া’ মুক্তি পাওয়ার কথা।

 

থ্রিলার-অ্যাডভেঞ্চার

এ বারের পুজোও থ্রিলার-অ্যাডভেঞ্চারে জমে যাবে।   ‘কাকাবাবুর প্রত্যাবর্তন’ হতে চলেছে। তার আগে অবশ্য সৃজিত মুখোপাধ্যায় নিয়ে আসছেন তাঁর ‘ভিঞ্চি দা’কে। পুজোয় অরিন্দম শীল আরও একটি ব্যোমকেশ নিয়ে আসছেন। শীতের উৎসবে দর্শকের জন্য উপহার ‘প্রফেসর শঙ্কু ও এল ডোরাডো’। নতুন পরিচালকদের মধ্যে সায়ন্তন ঘোষালের ‘সাগরদ্বীপে যকের ধন’, সৌকর্য ঘোষালের ‘রক্ত রহস্য’, ধ্রুব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘দুর্গেশগড়ের গুপ্তধন’-এর উপর ভরসা করা যায়। এই প্রথম থ্রিলার করছেন মৈনাক ভৌমিক। ‘বর্ণপরিচয়’কে ওয়াচ লিস্টে রাখা যায়। তার উপর ছবিতে আবির চট্টোপাধ্যায়-যিশু সেনগুপ্ত একসঙ্গে।

বর্ণপরিচয় ও কাকাবাবুর প্রত্যাবর্তন

বাণিজ্যে বসতে লক্ষ্মী

তবে লক্ষ্মী আর বসছে কই! যে কারণে ২০১৯-এ মেনস্ট্রিম বাণিজ্যিক ছবির সংখ্যা বেশ কম। জিৎ পর্যন্ত একটু অন্য ধরনের ছবি করছেন। ‘বাচ্চা শ্বশুর’ বলবে তিনি ঠিক পথে হাঁটছেন কি না। অনেক দিন পরে রাজ চক্রবর্তীর পরিচালনায় ছবি করছেন জিৎ। সে ছবির উপরও অনেক কিছু নির্ভর করছে। দেব-রুক্মিণী অনেক বার জুটি বাঁধলেও কমার্শিয়াল ছবিতে তাঁদের রসায়ন কেমন জমে, সেটা দেখার অপেক্ষা থাকবে। তবে 

জিৎ-দেব ছাড়া আর কোনও নায়কের কমার্শিয়াল ছবির উপর বক্স অফিস বা দর্শকের ভরসা নিয়ে সন্দেহ আছে!