রাজ-পর্বের স্থাপত্যচিত্র

পটনার রাজীব সোনি কর্মসূত্রে ছিলেন টাটা স্টিল কোম্পানিতে। বর্তমানে অবসর নিয়ে এই শহরে। নিজেকে ‘উইক-এন্ড ফোটোগ্রাফার’ বলতেই ভালবাসেন তিনি। এই শহরের বিভিন্ন কোণে তিনি খুঁজে বেড়ান ঐতিহ্য, তাঁর ক্যামেরার লেন্সে। ওদিকে, কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের প্রাক্তনী সঞ্জিত চৌধুরী চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং পেশাদার আলোকচিত্রী। লন্ডন, নিউইয়র্ক, বাসেল প্রভৃতি বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শিত হয়েছে ওঁর কাজ। তিনি একজন সংগ্রাহকও, নেশা পুরনো আলোকচিত্র এবং গ্লাস নেগেটিভ সংগ্রহ করা। এ ছাড়া রয়েছে পুরনো লিথোগ্রাফ এবং ওলিওগ্রাফ-এর একটি সংগ্রহ। এই দুজনের আগ্রহ জন্মেছিল ৪ নম্বর বিপিন পাল রোডের বাড়িটি নিয়ে কিছু করার। এই বাড়ি বিখ্যাত হয়ে রয়েছে ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র মজুমদারের বাসস্থান হিসেবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে রমেশচন্দ্র অবসর নেন ১৯৪২-এ। তারপর তিনি থাকতেন এই বাড়িটিতে। এটি নির্মাণ করা হয় ১৯৩২-এ। মধ্যে একটি উঠোন রেখে বাড়িটি তৈরি। দ্বিতীয় তলে সবুজ ঘেরা একটি বারান্দার সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে গ্রন্থাগারটি। ১৯৮০-তে তাঁর প্রয়াণ ঘটে। বর্তমানে ওঁর পরিবারের বসবাস এই বাড়িটিতে। এই বাড়ির সঙ্গে দুই আলোকচিত্রীর তোলা অন্যান্য ছবি নিয়ে প্রদর্শনী আয়োজিত হয়েছে গ্যাঞ্জেস আর্ট গ্যালারিতে। ‘ব্রিকস অফ দি রাজ’ শীর্ষক প্রদর্শনীটির উদ্বোধন হবে ৭মে সন্ধে ৬টায়, চলবে ৩০ মে পর্যন্ত, ১১-৭টা। সঙ্গের ছবি প্রদর্শনী থেকে।

 

 

এখনও

এগারো ভাইবোনের সর্বকনিষ্ঠ পান্নালাল ভট্টাচার্য বাবার মৃত্যুর সময় সাত মাসের গর্ভাবস্থায়। মেজদা ধনঞ্জয় ভট্টাচার্যর কাছে সংগীতে হাতেখড়ি আট বছর বয়সে। চোদ্দো বছর বয়সে মাঠে ফুটবল খেলতে গিয়ে আঘাত লেগেই চোখের ক্ষতি। এ হেন সমস্যা তাঁকে বিচ্ছিন্ন করতে পারেনি সংগীত থেকে। পরবর্তী কালে দাদা ধনঞ্জয় শাস্ত্রীয় সংগীত শিখতে পাঠান জ্ঞানপ্রকাশ ঘোষ ও যামিনীরঞ্জন গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছে। মাছধরা, ঘুড়ি ওড়ানো, ফুটবল খেলাতে ছিল উন্মাদনা। ‘তোমার উৎসবে আমারে তো ডাকো নাই’, ‘রুপালি চাঁদ জাদু জানে’, ‘তোমার মতো আমিও তো কত সয়েছি’-র মতো আধুনিক গান থাকলেও মানুষ তাঁকে চেনেন শ্যামাসংগীত শিল্পী ও ভক্তিমূলক গানের জন্য। আজও কালীপুজোয় বাড়ি ও বারোয়ারি দুই জায়গাতেই শুনতে পাওয়া যায় ধনঞ্জয়, পান্নালালকে। ২৭ মার্চ মৃত্যুর পঞ্চাশ বছর পূর্ণ হল পান্নালালের।

 

 

ইতিহাস থেকে

নব্বইয়ের দশকে জন্ম নেওয়া নাট্যগোষ্ঠী ‘থিয়েটার প্ল্যাটফর্ম’ এ যাবৎ তিরিশটিরও বেশি প্রযোজনা ও অভিনয় করে ফেলেছে। ২০১১ থেকে ওরা আয়োজন করে চলেছে এক্সপেরিমেন্টাল স্পেস থিয়েটার ফেস্টিভাল। এ বার তারাই আজ, ২ মে মিনার্ভায় সন্ধে সাড়ে ৬টায় ব্রাত্য বসুর নাটক ‘ইলা গূঢ়ৈষা’ মঞ্চস্থ করতে চলেছে। নাটকটি মূলত কোচবিহারের রাজা বীরনারায়ণের জীবন, তাঁর বিপর্যয় এবং সর্বোপরি রাজবাড়ির ইতিহাসের এক ভয়ঙ্কর ট্র্যাজেডি ভিত্তিক আখ্যান। নাট্যকার ব্রাত্য বসুর কথায়, ‘এটি একটি ইতিহাস আশ্রিত কল্পনাট্য, যা হয়তো মানবজাতির চিরন্তন ট্র্যাজেডিকে উন্মুক্ত করে’। অভিনয় করেছেন গৌতম হালদার, সেঁজুতি মুখোপাধ্যায়, সুমিতকুমার রায় প্রমুখ। মঞ্চ ও নির্দেশনায়: দেবাশিস। সঙ্গে নাটকের একটি দৃশ্য।

 

 

ডায়াবিটিস

এই মুহূর্তে চিকিৎসকদের সামনে সবচাইতে বড় সমস্যা হল মধুমেহ বা ডায়াবিটিস। প্রাপ্তবয়স্ক বা শিশুকিশোর – এই দুই ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে এই ডায়াবিটিসের বাড়বাড়ন্ত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন সামান্য কিছু নিয়মের মধ্যে থাকলে এই রোগ প্রতিহত করা যায়। ফি বছর হু’র পরিকল্পনা অনুযায়ী ৭ এপ্রিল দিনটি পালিত হয় বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস হিসেবে। এ বছর ওদের বিশেষ নজর ছিল এই ডায়াবিটিস রোগটি নিয়ে। সেদিন আইসিসিআর-এর মৌলানা আজাদ সম্মেলন কক্ষে শহরের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সুতানুটি হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির উদ্যোগে আয়োজিত হয়েছিল একটি বিশেষ আলোচনাসভা। এই অনুষ্ঠানে ছিলেন ডা. অভিজিৎ চন্দ, ডা. অনিরুদ্ধ কর এবং পুষ্টি বিশেষজ্ঞ মিতা শুক্ল। চিকিৎসকরা বুঝিয়ে বলেন এই রোগটি সম্পর্কে, ছিল প্রশ্নোত্তর পর্বও। এ দিন প্রকাশ পেল সৌমি পাল চৌধুরী এবং সোনালী সরকারের নির্মাণে একটি হাতবই, ম্যানেজিং ডায়াবিটিস: বেসিকস অ্যান্ড বিয়ন্ড। সংস্থার তরফে সপ্তর্ষি কর জানালেন ‘এভাবেই আমরা মানুষের পাশে দাঁড়াবার চেষ্টা করে যাচ্ছি’।

 

 

পুতুল নাটক

পুতুলের ভরা সংসার নিয়ে দীর্ঘদিন পথ চলছে এই শহরের সংস্থা ডলস থিয়েটার। প্রতি বছর ওরা নিয়ম করেই আয়োজন করে একটি পুতুল নাটক উৎসবের। ৮ মে ঢাকুরিয়ার অবন মহলে সন্ধে ৬টায় শুরু হচ্ছে এ বারের উৎসব। শুরুতেই ক্যালকাটা পাপেট থিয়েটারের বিখ্যাত নাটক আলাদিন। ৯ মে থাকবে বর্ধমান পাপেট থিয়েটার এবং তালবেতাল পাপেট থিয়েটারের সূর্যটা কার এবং বাঁশিওয়ালা। ১০ মে ওড়িশা শ্রীবিশ্বকর্মা কলাকুঞ্জ-র রাবণ বধ এবং দলের নিজস্ব প্রযোজনা অগর মগর। ১১ এবং ১২-র অনুষ্ঠান হবে সল্টলেকের পূর্বাঞ্চল সংস্কৃতি কেন্দ্রে। প্রথম দিন থাকছে সিম্পল পাপেট থিয়েটার ও দিল্লির কুছ কুছ পাপেট থিয়েটারের জীবনরঙ্গ এবং হামারা সার্কাস আর দ্বিতীয় দিনে ‘বর্তমান সময়ে পুতুলনাটকের প্রাসঙ্গিকতা’ শীর্ষক আলোচনাসভা এবং নাক কাটা রাজা-র প্রদর্শন। ৭ মে সন্তোষপুরের ক্যানভাস-এ রয়েছে ছোটদের জন্য সারা দিনের একটি পুতুল নাচের কর্মশালা।

 

 

রান্নার বই

মোগল সম্রাটদের হেঁশেলেই নাকি বিরিয়ানির শ্রীবৃদ্ধি হয়। তবে সম্রাটদের অনেকেই আমিষ পছন্দ করতেন না। আওরঙ্গজেব ছিলেন নিরামিষাশী। আমিষ ভালবাসতেন না সম্রাট আকবরও। তিনি খাওয়া শুরু করতেন দই বা দুধ দিয়ে। হুমায়ুনের ইরানি স্ত্রী হামিদা বানু বেগমের জন্য নাকি মোগল পাকশালায় লাগে ইরানি হাওয়া। কাপড় দিয়ে ঢাকার ওপর লেখা থাকত খাবারের নাম ও দায়িত্বপ্রাপ্ত রাজকর্মচারীর সিলমোহর! জাহিরুল হাসান সংগৃহীত বাদশাহি আমলের মোগলাই খাবারের এ হেন নানা গল্প সহযোগে মনিরা বেগম লিখেছেন বেগমের বাদশাহি রান্না (পূর্বা)। কাবাব-বিরিয়ানি-কোর্মা-কোফতার ১০৬টি পদ।

 

 

লোকশিল্প মেলা

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রচলন করা ‘স্বদেশি মেলা’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ১৯৮৬ সালে প্রথম ‘লোকশিল্প ও কারুকৃতি মেলা’ শুরু হয়েছিল জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে। দেখতে দেখতে সেই মেলার বয়স হল তিরিশ বছর। প্রতি বছরের মতো এ বছরও রাজ্য নৃত্য নাটক সংগীত ও দৃশ্যকলা আকাদেমি ও রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে, রবীন্দ্রজয়ন্তী উপলক্ষে জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির দ্বারকানাথ মঞ্চে (৬-৮ মে, বিকেল ৪টে থেকে) ‘লোকশিল্প ও কারুকৃতি মেলা’ আয়োজিত হয়েছে। উদ্বোধনে থাকবেন রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্ত, গৌতম দে ও রবীন্দ্রভারতীর উপাচার্য সব্যসাচী বসুরায়চৌধুরী। মেলায় পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলার ষাট জন শিল্পী, কারিগর তাঁদের তৈরি নানান শিল্পসামগ্রী নিয়ে যোগ দেবেন। সঙ্গের ছবিতে ‘ধোকরা’ বানাচ্ছেন দক্ষিণ দিনাজপুরের এক শিল্পী।

 

 

সম্মান

 আমাদের অমসৃণ বেঁচে থাকা, জীবনের ওঠাপড়া নিয়ে নিয়মিত ছবি করে চলেছেন রাজা সেন। শিল্পীর অনুভূতিময় জগৎ, সে জগতের সঙ্গে বাস্তব জগতের সংঘর্ষ নিয়ে তাঁর নতুন ছবি ‘মায়ামৃদঙ্গ’ সম্প্রতি মন কেড়েছে বাঙালির। একজন শিল্পীর সৃজনের নিজস্বতা নিয়ে যে আত্মবিশ্বাস, তা নিয়ে অনেক সময়ই তাঁকে ভুল বোঝে চারপাশের মানুষজন। শিল্পী আর সমাজের এই দ্বান্দ্বিক বিন্যাসই ধরা পড়েছে রাজার নতুন ছবিটিতে। ছবিটির সূত্রে এ বারের ষষ্ঠ দাদাসাহেব ফালকে ফিল্মোৎসবে সেরা পরিচালকের শিরোপা— জুরি পুরস্কার পেলেন রাজা। এমন সম্মান আগেও পেয়েছেন, সেরা তথ্যচিত্র ‘সুচিত্রা মিত্র’, প্রথম কাহিনিচিত্র ছোটদের জন্য ‘দামু’, বা ‘আত্মীয়স্বজন’— এ সবের জন্যেই জাতীয় পুরস্কার।

 

 

প্রত্নবিদ

খো  ‌ন্দকার আলমগীর বাংলাদেশের ইসলামি ইতিহাসের অধ্যাপক। নিজেও উচ্চশিক্ষা লাভ করেছেন ইসলামি শিল্পকলা এবং প্রত্নতত্ত্ব নিয়ে। ওঁর আগ্রহের কেন্দ্র জুড়ে রয়েছে বাংলার সুলতানি আমলের স্থাপত্য। বাংলাদেশের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে কর্মরত ছিলেন বহু দিন, তারপর চলে আসেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানেই এখন যুক্ত রয়েছেন অধ্যাপনায়। তিনি বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি, ইতিহাস অ্যাকাডেমি এবং ইতিহাস পরিষদের আজীবন সদস্য। প্রত্নতত্ত্ব চর্চায় সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রসমীক্ষা, তাতে তিনি নিরলস। নিয়মিত লিখছেন অনালোচিত বিষয়ে নানা প্রবন্ধ। লিখেছেন বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বই, যার মধ্যে রয়েছে সুলতানেট আর্কিটেকচার অব বেঙ্গল: অ্যানালিসিস অব আর্কিটেকচারাল অ্যান্ড ডেকোরেটিভ এলিমেন্টস এবং খাঁ জাহান: রুলার, বিল্ডার অ্যান্ড সেন্ট প্রভৃতি। দেশবিদেশের বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশ পেয়েছে ওঁর প্রবন্ধ। হামাম বা স্নানাগার, দুর্গ, মিনার, সেতু, প্রাচীন লিপি থেকে স্থাপত্য নকশা— সুলতানি আমলের এমন নানা বিষয়ে ওঁর গবেষণা গভীরতা ছুঁয়ে যায়। কাজের প্রয়োজনে তিনি বহু বার এসেছেন এই বঙ্গে। ঘুরে দেখেছেন বিভিন্ন অঞ্চলের স্থাপত্যকীর্তি। ওঁর মতে, ইতিহাস লেখা থাকে কালের পাতায়, একজন সফল ইতিহাসবিদ যার স্পন্দন অনুভব করতে পারেন। সম্প্রতি ঘুরে গেলেন এই শহরে, পঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস সম্মেলনে যোগ দিয়ে ফেরার পথে।

 

 

অগ্নিশিখা

অগ্নি প্রাচীন সভ্যতায় মানুষের উপাস্য এবং পবিত্র ছিল। সভ্যতার জন্মলগ্ন থেকেই নারীপুরুষের পাশাপাশি মানব সভ্যতার বিকাশেও আগুন পালন করেছে তার সদর্থক ভূমিকা। কিন্তু সেই পবিত্র অগ্নিই কখন যেন হয়ে ওঠে হাতিয়ার। পুরুষশাসিত সমাজে নারী হয়েছে বলিপ্রদত্ত। কখনও সতীত্বের পরাকাষ্ঠা প্রদর্শনে তাকে প্রবেশ করতে হয়েছে অগ্নিতে। অগ্নিজন্মে নারী হয়ে উঠেছেন অগ্নিজা যুদ্ধের কারণ, দ্রৌপদীর ক্ষেত্রে। কখনও আবার কুলমান রক্ষার্থে আগুনে আত্মাহূতি দিতে হয়েছে, আবার কখনও সমাজকুলপতিদের নির্দেশে জীবন্ত পু়ড়িয়ে মারা হয়েছে নারীকে। অত্যাচার কখনও বলশালী হয়ে নারীর অধিকারকে খর্ব করেছে বিকৃত লালসায়। সভ্যতার সূচনা থেকে আজ পর্যন্ত সেই পরম্পরা সমানে চলছে। রামায়ণের সীতা, মহাভারতের দ্রৌপদী, মহারানি পদ্মিনী, সহমরণ যাত্রী সতী এবং আজকের মৃত ধর্ষিতা। বারে বারে অগ্নিতে নারী ভস্মীভূত হয়েছে, কিন্তু আবার পরক্ষণেই উত্থিতা হয়েছে— ঠিক যেন রূপকথার ফিনিক্স পাখি। পৃথিবীর সমস্ত নারী আজ এক শক্তি— অগ্নিশিখা। এই ভাবনাকে মনে রেখেই গৌতম উপাধ্যায় নির্মাণ করেছেন নৃত্যালেখ্য অগ্নিশিখা, যার ইংরেজি অনুবাদ সুজাতা সিদ্ধান্তের আর সঙ্গীত নির্মাণ শুভাশিস চক্রবর্তী এবং জন্মেজয় বসুর। সম্প্রতি সৃজকের এই নতুন প্রযোজনাটি অনুষ্ঠিত হল আইসিসিআর-এর সত্যজিৎ রায় অডিটোরিয়মে। অগ্নিশিখা-র কেন্দ্র চরিত্রে রূপদান করেছেন নৃত্যশিল্পী রূপা উপাধ্যায়, সঙ্গের ছবিতে।