Advertisement
E-Paper

চাকরির নামে প্রতারণা, ধৃত মহিলা

অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে চাকরি করে দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে এক বধূকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার সকালে রায়না থানার সেহারাবাজারে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম কবিতা রায়। তাঁকে এ দিন নিজের বাড়ি থেকেই গ্রেফতার করা হয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ জুলাই ২০১৪ ০১:১৪

অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে চাকরি করে দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে এক বধূকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার সকালে রায়না থানার সেহারাবাজারে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম কবিতা রায়। তাঁকে এ দিন নিজের বাড়ি থেকেই গ্রেফতার করা হয়। ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হলে বিচারক ধৃতের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ২১ জুলাই মামলার কেস ডায়েরি জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সেহারাবাজারের বাসিন্দা কবিতা রায়ের বিরুদ্ধে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে চাকরি করে দেওয়ার নাম করে বিভিন্ন জায়গা থেকে টাকা তোলার অভিযোগ রয়েছে। তিনি বাঁকুড়ার পাত্রসায়র, সোনামুখী ও রায়নার সেহারাবাজার এলাকার বিভিন্ন চাকরিপ্রার্থীর থেকে চাকরি দেওয়ার নাম করে কয়েক লক্ষ টাকা তুলেছেন বলে দাবি পুলিশের। প্রাথমিক তদন্তের পরে পুলিশ জানিয়েছে, সম্প্রতি অভিযুক্ত মহিলার বাড়িতে টাকা ফেরত চেয়ে অনেকেই হাজির হচ্ছিলেন। কিন্তু কবিতাদেবী টাকা ফেরত দেননি। পাত্রসায়র ও রায়না থানায় ওই মহিলা কয়েক জনের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ দায়েরও করেন। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক তদন্তে কবিতাদেবীর অভিযোগের সারবত্তা মেলেনি।

পুলিশ সূত্রে খবর, গত ২৫ জুন বাঁকুড়ার পাত্রসায়রের বধূ মৌটুসি সাহা রায়না থানায় অভিযোগ করেন, ২০১১ সালে তাঁকে অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্রের সহায়িকার চাকরি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কবিতাদেবী এক লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন। পরে কবিতাদেবী, তাঁর স্বামী দীপ্তিপ্রসাদ রায় ও ছেলে চিরঞ্জিত রায় তাঁকে বিভিন্ন সরকারি দফতরে নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চাকরি হয়নি। মৌটুসিদেবীর অভিযোগ, এরপরে তিনি টাকা ফেরত চাইলে কবিতাদেবী তাঁকে জানান, বর্ধমানের তৎকালীন এক বামপন্থী নেতার কাছে সব টাকা দেওয়া হয়েছে। তাঁর থেকেই টাকা ফেরত নিতে হবে। কিন্তু ওই বামপন্থী নেতার সঙ্গে দেখা করা হলে তিনি জানান, কবিতা রায়কে তিনি চেনেন না।

মৌটুসিদেবীর আইনজীবী পীযূষরঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, “ধৃত মহিলাকে সামনে রেখে ওই এলাকায় চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা চক্র তৈরি হয়েছিল। এই চক্রে ধৃত মহিলার স্বামী, পুত্র-সহ বেশ কয়েকজন জড়িত রয়েছেন। পুলিশ বিস্তারিত তদন্ত করলে জড়িতদের কথা জানতে পারবে।”

২৫ জুন অভিযোগ দায়ের করা হলেও অভিযুক্ত মহিলাকে গ্রেফতার করতে কয়েক সপ্তাহ পেরিয়ে গেল কেন? রায়না থানার এক আধিকারিক বলেন, অভিযুুক্ত মহিলা তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হওয়ার আগেই এলাকা ছেড়ে পালিয়েছিলেন। তাকে খুঁজে পেতেই এত দেরি।

deceived job raina
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy