ধর্নামঞ্চে প্রতীক-উর রহমান। ছবি: ভিডিয়ো থেকে নেওয়া।
প্রতীক-উর রহমানের পর মমতার ধর্নামঞ্চে বক্তা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তিনি বলেন, ‘‘আসল ভোটারের নাম কেটে দিয়ে পিছন থেকে এনআরসি করার ষড়যন্ত্র চলছে।’’ এসআইআরে মাইক্রো অবজ়ারভারের নিযুক্তি নিয়েও প্রশন তোলেন রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ। তাঁর দাবি, তৃণমূলেরই নন, সিপিএম, নোটার ভোটারদেরও অধিকার রক্ষা করতে ধর্না দিচ্ছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
ধর্নামঞ্চে বক্তৃতা করছেন প্রতীক-উর রহমান। তাঁর বক্তৃতায় উঠে আসে ভারতবর্ষের বৈচিত্রের কথা। দেশের বিভিন্নপ্রান্তে বিভিন্ন ভাষাভাষির মানুষের বাসের কথা মনে করিয়ে দেন সিপিএম থেকে তৃণমূলে আসা প্রতীক-উর। তিনি বলেন, ‘‘এটাই আমাদের ভারতবর্ষ। এই ভারতের ঐতিহ্যকে বিজেপি, আরএসএস এবং নির্বাচন কমিশন ভাঙতে চাইছে।’’ তাঁর হুঙ্কার, ‘‘আমরা কাগজ দেখাব না।’’
ধর্মতলার ধর্নামঞ্চে এসেছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়ও। দিন কয়েক আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন হয়েছিল তাঁর। কলকাতার প্রাক্তন মেয়র আধ ঘণ্টার মতো ধর্নামঞ্চে ছিলেন।
ধর্নামঞ্চে তৃণমূল সাংসদ তথা অভিনেত্রী জুন মালিয়া বলেন, ‘‘এই লড়াই ক্ষমতার লড়াই নয়। এই লড়াই কুর্সির লড়াই নয়। এটা আমাদের সকলের লড়াই। এটা ভোটাধিকার রক্ষার লড়াই।’’
ধর্নামঞ্চে তৃণমূলের সর্বময়নেত্রীকে কল্যাণের অনুরোধ, ‘‘আর কোনও গদ্দারকে নেবেন না দলে।’’ শ্রীরামপুরের সাংসদের অনুরোধে হাত নে়ড়ে সম্মতি দেন মমতা। তার পরেই কল্যাণ বলেন, ‘‘দিদি বলেছে আর কোনও গদ্দারকে নেবে না। কোনও গদ্দার আসবে না। ২০২৬ সালের নির্বাচনে তৃণমূলে যাঁরা আছেন, তাঁরাই কেবল থাকবেন। আর নতুন প্রজন্ম বা নতুন করে যাঁরা রাজনীতিতে আসতে চান, তাঁদের তাঁরা আসবে। বিজেপির কেউ আসবে না। শুভেন্দু অধিকারী আসতে চাইলে মেরে ভাগাতে হবে।’’
১০-১৫ দিন কেটে গেল, এখনও এসআইআরের বাকি যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শেষ হল না কেন? প্রশ্ন তুললেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ। তিনি জানান, সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল বিচারবিভাগকে দিয়ে বাকি কাজ শেষ করতে হবে। ঝাড়খণ্ড-ওড়িশা থেকে বিচারক এনে কাজ করানোর কথাও বলেছে শীর্ষ আদালত। তখনই কল্যাণের ভুল ধরিয়ে দেন মমতা। তিনি বলেন, ‘‘সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল প্রয়োজনে ঝাড়খণ্ড-ওড়িশা থেকে বিচারক আনতে পারেন।’’ নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করে একের পর এক আক্রমণ শানান কল্যাণ।
গানের পর আবার ধর্নামঞ্চে সভা শুরু হল। প্রথম বক্তা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
ধর্নামঞ্চে চলছে গানবাজনা। ‘পরিবর্তন’ নামে এক গানের দল কয়েকটি গান পরিবেশন করে। গানের মাঝেই সরকারি অনুষ্ঠানে তাদের গানের সুযোগ দেওয়ার কথা বলেন মমতা। তিনি এ-ও বলেন, ‘‘কাল-পরশুও তোমরা এসো। গান গাইবে। কাল আন্তর্জাতিক নারী দিবস। সেই নিয়ে কোনও গান গাইতে হবে।’’ কী গান গাওয়া যায়, তা-ও পরিকল্পনা করে দেন মমতা নিজেই।
Or
By continuing, you agree to our terms of use
and acknowledge our privacy policy
We will send you a One Time Password on this mobile number or email id
Or
By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy