Advertisement
০২ মার্চ ২০২৪
Mamata Banerjee

একশো দিনের কাজে মানুষ টাকা পাচ্ছেন না, কবে দেবে কেন্দ্র? মোদীকে চিঠি মমতার

১০০ দিনের কাজের মাইনে বাকি পড়ে রয়েছে অন্তত চার মাস! প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে লেখা চিঠিতে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা।

গ্রাফিক: শৌভিক দেবনাথ।

গ্রাফিক: শৌভিক দেবনাথ।

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা শেষ আপডেট: ১২ মে ২০২২ ১৮:০৫
Share: Save:

বাংলার শ্রমিকদের প্রাপ্য মজুরি চেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার দিল্লির সাউথ ব্লকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দফতরের ঠিকানায় পাঠানো হয়েছে সেই চিঠিটি। তাতে মোদীর কাছে মমতা জানতে চেয়েছেন, বাংলার ১০০ দিনের কাজের শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি কবে দেওয়া হবে? বাংলার প্রাপ্য প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার অর্থই বা বাংলাকে দেওয়া হচ্ছে না কেন?

মমতা চিঠিতে জানিয়েছেন, গত চার মাস ধরেই কেন্দ্র বকেয়া রেখে দিয়েছে মনরেগা প্রকল্পে বাংলার প্রাপ্য টাকা। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, বাংলাকে ওই টাকা না দেওয়ায় এ রাজ্যের গ্রামে থাকা দরিদ্র মানুষ অসুবিধায় পড়ছেন। কেন না মনরেগা প্রকল্পের তহবিল থেকেই ১০০ দিনে কাজের মজুরি পান বাংলার শ্রমিকরা।

মোদীকে মমতা জানিয়েছেন, গত চার মাসে ওই তহবিল থেকে বাংলার প্রাপ্য প্রায় সাড়ে ছ’হাজার কোটি টাকা বকেয়া রেখেছে কেন্দ্র। এর ফলে বাংলার গ্রামের দরিদ্র মানুষ অসুবিধায় পড়ছেন জানিয়ে চিঠিতে মমতা লিখেছেন, কেন্দ্রের দেওয়া ওই টাকার উপরেই বাংলার গ্রামের বহু দরিদ্র মানুষের জীবন ধারণ নির্ভর করে। টাকা বকেয়া থাকায় বঞ্চিত হচ্ছেন এইসব প্রান্তিক মানুষ।

একইসঙ্গে মমতা জানিয়েছেন, কেন্দ্র প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার তহবিলের টাকাও বকেয়া রেখে দিয়েছে। মোদীকে লেখা ওই চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, পিএম আবাস যোজনায় গ্রামীণ এলাকায় বাড়ি তৈরির কাজে গোটা দেশের সবার আগে রয়েছে বাংলা। ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষ থেকে পশ্চিমবঙ্গে ৩২ লক্ষ বাড়ি তৈরি হয়েছে এই প্রকল্পে। তারপরও বাংলাকে দেওয়া কেন্দ্রের এই টাকা আটকে দেওয়া হয়েছে। যার ফলে বাংলার গ্রামীণ উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীকে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করার অনুরোধ করেছেন।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement

Share this article

CLOSE