Advertisement
E-Paper

কেন্দ্রীয় ডাক্তারি জয়েন্টে বাংলারও অনেকে

ডাক্তারি পড়ার জন্য যাঁরা রাজ্যের মেডিক্যাল জয়েন্ট এন্ট্রান্সে বসতে চেয়েছিলেন, তাঁদের সমস্যার সুরাহা বিশেষ হয়নি। তবে রবিবার নির্বিঘ্নেই শেষ হয়েছে অল ইন্ডিয়া প্রি-মেডিক্যাল টেস্ট বা এআইপিএমটি-র প্রথম পর্যায়। অভিন্ন সর্বভারতীয় জয়েন্টের দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা হবে ২৪ জুলাই।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ মে ২০১৬ ০২:০৬

ডাক্তারি পড়ার জন্য যাঁরা রাজ্যের মেডিক্যাল জয়েন্ট এন্ট্রান্সে বসতে চেয়েছিলেন, তাঁদের সমস্যার সুরাহা বিশেষ হয়নি। তবে রবিবার নির্বিঘ্নেই শেষ হয়েছে অল ইন্ডিয়া প্রি-মেডিক্যাল টেস্ট বা এআইপিএমটি-র প্রথম পর্যায়। অভিন্ন সর্বভারতীয় জয়েন্টের দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা হবে ২৪ জুলাই।

সুপ্রিম কোর্ট শুক্রবার নির্দেশ দেয়, দেশে যাবতীয় সরকারি ও বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে ডাক্তারিতে ভর্তির জন্য অভিন্ন প্রবেশিকা পরীক্ষা নেওয়া হবে। সেটা হবে দু’দফায়। অল ইন্ডিয়া প্রি-মেডিক্যাল টেস্ট এবং ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি এন্ট্রান্স টেস্ট বা এনইইটি। শীর্ষ আদালতের নির্দেশের ফলে সব রাজ্যেই নিজেদের নেওয়া মেডিক্যাল জয়েন্ট বাতিল হয়ে যায়। ১৭ মে এ রাজ্যের জয়েন্ট এন্ট্রান্স হবে ঠিকই। তবে তার মেডিক্যাল অংশটি বাতিল হয়ে যাওয়ায় এখন ওই প্রবেশিকা পরীক্ষা হবে শুধু ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হওয়ার জন্য।

এত দিন এ রাজ্যে যাঁরা এখানকার মেডিক্যাল জয়েন্ট এন্ট্রান্সে বসতেন, তাঁদের অনেকে আবার কেন্দ্রীয় মেডিক্যাল জয়েন্ট বা এআইপিএমটি পরীক্ষাও দিতেন। এ বার যাঁরা সেই সর্বভারতীয় পরীক্ষায় বসার জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন, তাঁরাও এ দিন পরীক্ষা দিয়েছেন। এই প্রবেশিকার পরবর্তী দফার পরীক্ষা এনইইটি হওয়ার কথা ২৪ জুলাই। যাঁরা এখনও আবেদন করেননি, তাঁরা দ্বিতীয় পর্যায়ের সেই প্রবেশিকার জন্য ফর্ম পূরণ করতে পারেন। রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড জানিয়েছে, ২১ মে থেকে ২০ জুন পর্যন্ত অনলাইনে সেই আবেদন জানানো যাবে।

এ দিন বাংলার যে-সব ছাত্রছাত্রী কেন্দ্রীয় প্রবেশিকায় বসেছেন, রাজ্যের মেডিক্যাল জয়েন্ট বাতিলের নির্দেশে তাঁদের অভিভাবকদের একাংশ খুবই অসন্তুষ্ট। তাঁদের অনেকেই বলছেন, এআইপিএমটি-তে বসলেও বাংলার বেশির ভাগ পড়ুয়া রাজ্য মেডিক্যাল জয়েন্ট দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েই প্রস্তুতি চালায়। পিএমটি-তে বসাটা নিতান্তই নাম-কা-ওয়াস্তে। একেবারে পরীক্ষার আগে আগে রাজ্য মেডিক্যাল জয়েন্ট বাতিলের নির্দেশ আসায় পরীক্ষার্থীরা পিএমটি-র জন্য ভাল ভাবে প্রস্তুতই হতে পারেননি। অভিভাবকদের অনেকের দাবি, এই সব পরীক্ষার্থীকে যেন কেন্দ্রীয় প্রবেশিকার দ্বিতীয় দফার পরীক্ষা অর্থাৎ এনইইটি-তে বসার সুযোগ দেওয়া হয়। তাতেও যে সমস্যা পুরোপুরি মিটবে, তেমন আশা করছেন না রাজ্যের পরীক্ষার্থীরা। তাঁরা বলছেন, কেন্দ্রীয় জয়েন্টের দ্বিতীর দফার পরীক্ষার ফর্ম পূরণের জন্য এক মাস এবং প্রস্তুতির জন্য আড়াই মাসেরও বেশি সময় মিললেও রাজ্যের জয়েন্ট আর কেন্দ্রীয় জয়েন্টের প্রশ্নপত্র আর উত্তর লেখার ধরন দু’টিই আলাদা। দু’টি পরীক্ষাই পৃথক ধরনের প্রস্তুতি দাবি করে। ফর্ম পূরণের সুযোগ পেলেও সেই প্রস্তুতি সারাই বাংলার পরীক্ষার্থীদের চ্যালেঞ্জ।

All India Joint Examinatio Joint Entrance
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy