হাই কোর্টের নির্দেশে খালের বাঁধের উপর তৈরি বেআইনি নির্মাণ ভেঙে দিল প্রশাসন। বৃহস্পতিবার দাসপুরের শিবরায় দুবার্চটি খালের বাঁধের উপর ওই ঘরগুলি ভেঙে ফেলে প্রশাসন। বেআইনি মোট ছ’টি ঘরের এ দিন চারটি ভাঙা হয়েছে। বাকি দু’টি ঘর আজ, শুক্রবার ভাঙা হবে বলে প্রশাসন জানিয়েছে। উপস্থিত ছিলেন দাসপুর-২ বিডিও অনিবার্ণ সাহু, মহকুমা সেচ আধিকারিক সুমিত দাস-সহ পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিকেরা।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি স্থানীয় দুই বাসিন্দা তাপস বারিক এবং রামপদ বারিক হাই কোর্টে মামলা করেন। তাঁদের অভিযোগ ছিল, দুবার্চটি খালের উপর সরকারি জমি দখল করে পরপর ছ’টি বেআইনি নির্মাণ হয়েছে। সরকারি জমির পাশে তাঁদের রায়ত জমি রয়েছে। তাই ওই সরকারি জমি ফাঁকা করার জন্য আবেদন করেন তাঁরা। স্থানীয় ভাবে সেচ দফতর-সহ প্রশাসনকে জানিয়েও লাভ হয়নি। তাই হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তাঁরা।
মামলা হতেই পুরো বিষয়টি মহকুমা প্রশাসনকে তদন্তের নির্দেশ দেয় হাই কোর্ট। হাইকোর্টের নির্দেশে মহকুমা শাসক সব পক্ষকে ডেকে কথা বলে বিস্তারিত তদন্ত করেন। সেখানে সরকারি জমির উপর ঘর নির্মাণের বিষয়টি উঠে আসে। তারপরই হাই কোর্ট মহকুমা প্রশাসনকে ওই ঘর ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন। নির্দেশ পেয়েই মহকুমা শাসক সুমন বিশ্বাস ঘর ভাঙার প্রস্তুতি নেন।বৃহস্পতিবার প্রশাসনের উপস্থিতিতেই ঘর ভাঙার কাজ শুরু হয়। ঘাটালের মহকুমা শাসক সুমন বিশ্বাস বলেন, “হাই কোর্টের নির্দেশে সেচ দফতরের জমির উপর বেআইনি নির্মাণ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে।”
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)