Advertisement
E-Paper

রেশন: পুলিশকে কড়া হতে নির্দেশ মন্ত্রীর

এপ্রিলের শুরু থেকেই রেশন দোকানগুলিতে বিনামূল্যে এবং ভর্তুকি ধরে খাদ্যশস্য সরবরাহের কাজ শুরু করেছে সরকার।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ এপ্রিল ২০২০ ০৬:১৩
নিয়ম মেনে: জলপাইগুড়ির একটি রেশন দোকানের সামনে। নিজস্ব চিত্র

নিয়ম মেনে: জলপাইগুড়ির একটি রেশন দোকানের সামনে। নিজস্ব চিত্র

বুধবার রেশন দোকান খোলার পর থেকেই সামাজিক দূরত্বের সতর্কতা উড়িয়ে জমছিল ভিড়। বৃহস্পতিবারও তা অব্যাহত রইল। পাশাপাশি গোলমালের খবরও মিলেছে কিছু এলাকা থেকে। আবেদন করেও কার্ড না পাওয়া মানুষ কুপনের জন্য ভিড় করেছেন, বিশৃঙ্খলা তৈরি চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে দার্জিলিং এবং জলপাইগুড়ি জেলা খাদ্য নিয়ামকদের সঙ্গে বৈঠক করে পুলিশকে কড়া হাতে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিলেন পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব। রেশন দোকানগুলিতে যাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কাজ হয়, তা নিয়েও পুলিশকে নজর রাখতে বললেন তিনি।

এপ্রিলের শুরু থেকেই রেশন দোকানগুলিতে বিনামূল্যে এবং ভর্তুকি ধরে খাদ্যশস্য সরবরাহের কাজ শুরু করেছে সরকার। কিন্তু তার মধ্যেও বৃহস্পতিবার মাটিগাড়া, চম্পাসারি এবং বাড়িভাষা এলাকায় কয়েকটি দোকানে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয় বলে অভিযোগ। এ দিন বৈঠকের পর মন্ত্রী জানান, খাদ্যশস্যে কোনও টান নেই। তিনি বলেন, "কারা বিনামূল্যে খাদ্যশস্য পাবেন এবং কারা ভর্তুকি ধরে পাবেন, সবটাই ডিলারের দোকানে টাঙানো রয়েছে। সব জেনে বুঝেও এক শ্রেণির মানুষ বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করছেন। পুলিশ কড়া হাতে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিক।" মন্ত্রী জানান, দার্জিলিং জেলায় কমবেশি ৯৭ হাজার এবং জলপাইগুড়ি জেলায় ৭৪ মানুষকে কুপন দেওয়া হবে। তা আগামী সপ্তাহে মধ্যে বণ্টন করা হবে। ১০ এপ্রিল থেকে তাঁরাও রেশন থেকে খাদ্যশস্য পেতে শুরু করবেন।

শিলিগুড়িতে রেশনের মাধ্যমে খাদ্য সরবরাহের ব্যবস্থা না থাকলেও খালপাড়া পাইকারি বাজার গত তিন দিন থেকে বন্ধ ছিল বলে অভিযোগ। এতে খুচরো দোকানগুলিতে মজুত খাদ্যশস্যের টান পড়ছে বলে দাবি। বৃহত্তর শিলিগুড়ি খুচরা ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব রায় মুহুরি বলেন, "বৃহস্পতিবার শিলিগুড়ির মহকুমাশাসকের সঙ্গে দেখা করে বিষয়গুলি জানিয়েছি। খালপাড়া পাইকারি বাজার কবে শিলিগুড়ির খুচরা ব্যবসায়ীদের জন্য খোলা থাকছে, কবে থাকছে না, তা আমাদের জানানো হচ্ছে না। এই সমন্বয় করা জরুরি।’’ পাইকারি বাজারের ব্যবসায়ীদের পাল্টা দাবি, শিলিগুড়ি ও পাহাড় নিত্য পণ্য আলাদা দিনে করা হচ্ছে। যদিও তা অনেক ব্যবসায়ী সময়ে জানতে পারছেন না বলে অভিযোগ। বাজারে খাদ্যশস্যের জোগান নিয়মিতভাবে না থাকলে কৃত্রিম চাহিদা তৈরি হতে পারে। বিভিন্ন সামগ্রীর দামও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ছোট ব্যবসায়ীরা।

Coronavirus Health Coronavirus Lockdown
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy