Advertisement
E-Paper

প্রচারপত্রে দফতরের নাম উধাও, অস্বস্তিতে গৌতম

পর্যটন দফতরের নাম না থাকায় উত্তরবঙ্গ উৎসবের অনুষ্ঠান সূচির প্রচারপত্র ঘিরে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। শুক্রবার দুপুরে মুখ্যমন্ত্রীর শাখা সচিবালয় উত্তরকন্যায় উৎসব কমিটির তরফে প্রচারপত্র বিলি শুরু করা হয়। তখনই এই ভুল নজরে আসে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২১ জানুয়ারি ২০১৭ ০১:৫৩

পর্যটন দফতরের নাম না থাকায় উত্তরবঙ্গ উৎসবের অনুষ্ঠান সূচির প্রচারপত্র ঘিরে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। শুক্রবার দুপুরে মুখ্যমন্ত্রীর শাখা সচিবালয় উত্তরকন্যায় উৎসব কমিটির তরফে প্রচারপত্র বিলি শুরু করা হয়। তখনই এই ভুল নজরে আসে। আগামী ২২ জানুয়ারি কার্শিয়াঙের গোথেলস মেমোরিয়াল স্কুল থেকে উৎসবের সূচনা করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

প্রশাসনিক সূত্রের খবর, প্রচারপত্রে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতর ছাড়াও তথ্য-সংস্কৃতি, অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ, ক্রীড়া, যুব কল্যাণ, বন, শিল্প-বাণিজ্য এবং তথ্য-প্রযুক্তি দফতরের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু কোথাও পর্যটন দফতরের নাম না থাকায় জল্পনা শুরু হয়। উৎসবের বাজেটে ওই দফতর থেকে ১০ লক্ষ টাকা দেওয়া হলেও কেন দফতরের নাম রাখা হয়নি, সেই প্রশ্ন উঠেছে। পরিস্থিতি সামলাতে অবশেষে নতুন করে প্রচার পত্র ছাপানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উৎসবের নোডাল অফিসার, তথ্য সংস্কৃতি আধিকারিক জগদীশ রায় বলেন, ‘‘আমরা বিষয়টি খেয়াল করিনি। কোনওভাবে ছাপার সময় ভুল হয়ে গিয়েছে। প্রচারপত্র সংশোধন করে নেওয়া হবে।’’

প্রচারপত্র বিলি সময় সেখানে ছিলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের দুই সহ সচিব ডিকি ভুটিয়া এবং দীপঙ্কর পিপলাই। তাঁরাও বিষয়টি সংশোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন। একই সময়ই শাখা সচিবালয়ে সাত জেলার মন্ত্রী, অফিসারদের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব’ও। বিষয়টি কানে পৌঁছতেই অস্বস্তিতে পড়ে যান তিনি। গৌতমবাবু বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম থাকলেই হবে। আমরা সবাই তাঁর টিমের সদস্য। আর প্রচারপত্রে নাম থাকা বা না থাকায় কী এসে যায়।’’ এর পরে মন্ত্রী বলেন, ‘‘উৎসবের এ জেলার অনুষ্ঠানে তো সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছি। কয়েক দফায় বৈঠক করেছি।’’

২২ জানুয়ারি কার্শিয়াঙে শুরু হবে উৎসব। চলবে ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রথমে প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার বাজেট তৈরি করে সাত জেলার ৩৩টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা এবার ১ কোটি টাকার বেশি দেওয়া যাবে বলে নবান্ন থেকে জানানো হয়। তার পরে সাত জেলায় ৭টি এবং দার্জিলিং মিলিয়ে ৮টি অনুষ্ঠানস্থল ঠিক হয়েছে। কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে সরকারি মেলাও বাতিল করা হয়েছে। মুম্বই, কলকাতা, নেপাল, বাংলাদেশ ছাড়াও উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তের শিল্পীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। উৎসবে বসে আঁকো থেকে নাটক, গান, ব্যান্ড, লোকসঙ্গীত, কবি সম্মেলন, ম্যারাথন, ক্রিকেট, ভলিবল, তিরন্দাজি-সহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং প্রতিযোগিতা হবে।

কাল, রবিবার কার্শিয়াঙের মঞ্চ থেকে সাত জেলার ৭ জনকে বঙ্গরত্ন পুরস্কার দেবেন মুখ্যমন্ত্রী। এ বার দার্জিলিং জেলা থেকে সমর চক্রবর্তী, মালদহের শক্তিপদ পাত্র, উত্তর দিনাজপুরের তপন কুমার সাহা,আলিপুরদুয়ারের বলরাম হাঁসদা, জলপাইগুড়ি জেলার মঙ্গলাকান্ত রায়, কোচবিহারের কমলেশ সরকার এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের অমলচন্দ্র রায়কে বঙ্গরত্ন সম্মান দেওয়া হচ্ছে।

Goutam Deb
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy