Advertisement
E-Paper

প্রথম সমাবর্তন সিধো-কানহোর

শিক্ষা ছাড়া গণতন্ত্র শক্তিশালী হয় না, সিধো-কানহো-বীরসা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তনে এসে এমনটাই মনে করিয়ে দিলেন রাজ্যপাল তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য কেশরীনাথ ত্রিপাঠী। বৃহস্পতিবার পুরুলিয়া রবীন্দ্র ভবনে সমাবর্তন উৎসবে যোগ দিয়ে তিনি বলেন, ‘‘আমি এই সমাবর্তনে আসতে পেরে খুশি। উচ্চ শিক্ষার লক্ষ্যে ২০১০ সালে রাজ্যের এক প্রান্তে এই বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে উঠেছিল।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৬ ডিসেম্বর ২০১৬ ০২:০৯
অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী। —নিজস্ব চিত্র।

অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী। —নিজস্ব চিত্র।

শিক্ষা ছাড়া গণতন্ত্র শক্তিশালী হয় না, সিধো-কানহো-বীরসা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তনে এসে এমনটাই মনে করিয়ে দিলেন রাজ্যপাল তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য কেশরীনাথ ত্রিপাঠী। বৃহস্পতিবার পুরুলিয়া রবীন্দ্র ভবনে সমাবর্তন উৎসবে যোগ দিয়ে তিনি বলেন, ‘‘আমি এই সমাবর্তনে আসতে পেরে খুশি। উচ্চ শিক্ষার লক্ষ্যে ২০১০ সালে রাজ্যের এক প্রান্তে এই বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে উঠেছিল। তার পর থেকে শিক্ষা, সাংস্কৃতিক, সামাজিক-সহ নানা ক্ষেত্রে এই বিশ্ববিদ্যালয় উন্নতির জন্য কাজ করে যাচ্ছে।’’ তাঁর সংযোজন, ‘‘পিছিয়ে পড়া এলাকায় শিক্ষার সুযোগ পৌঁছতে হবে। বিশেষত, স্কুলছুটদের শিক্ষার আলোয় ফিরিয়ে নিয়ে আসতে হবে। শিক্ষা পৌঁছে দিতে হবে সমাজের প্রান্তিক মানুষের কাছে। কেননা শিক্ষা ছাড়া গণতন্ত্র শক্তিশালী হয় না।’’

এ দিন যে সমস্ত কৃতী পড়ুয়াকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সম্মানিত করা হয়, তাঁদের সকলকেই শুভেচ্ছা জানান আচার্য। সমাবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে রাজ্য কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের বিজ্ঞানী, বান্দোয়ানের বাসিন্দা বাবুলাল টুডুকে ডক্টরেট অব সায়েন্সেস সম্মান দেওয়া হয়। বান্দোয়ানের প্রত্যন্ত ভালু গ্রামে জন্ম বাবুলালবাবু। বাবা ও মা চাষের কাজ করতেন। এই বিজ্ঞানী মাধ্যমিক দেন বান্দোয়ানের স্কুল থেকে। বাঁকুড়ার দুবরাজপুর থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে কলকাতা ভেটেরিনারি কলেজ থেকে পড়াশোনা করেন। তার পরে নয়াদিল্লির ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব এগ্রিকালচারাল রিসার্চ থেকে ফেলোশিপ করেন। ডিলিট সম্মানে ভূষিত করা হয় লেখক, গবেষক সুহৃদ কুমার ভৌমিককে। যিনি আদিবাসী ভাষার অগ্রগতির লক্ষ্যে নিরলস কাজ করছেন। নন্দীগ্রামের আমদাবাদ গ্রামে জন্ম। তুলনামূলক সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা করেছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। পরবর্তী কালে তিনি হাজি দেশরত কলেজে শিক্ষক হিসাবে কর্মজীবন শুরু করলেও সাঁওতালি ভাষার উন্নয়নে কাজ করছেন। এই দুই কৃতীকেও অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানান আচার্য।

সমাবর্তনে ঝাড়খণ্ডের দুমকা সিধো-কানহো মুর্মু বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কামার এহসান এবং এ রাজ্যের এক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ এস কোলাসকর বক্তব্য রাখেন। তাঁরা শিক্ষার বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যতের কথা তুলে ধরেন। পুরুলিয়ায় শিক্ষা বিস্তারে কী ভাবে কাজ করছে সিধো-কানহো-বীরসা বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্ববিদ্যালয়, তা তুলে ধরেন উপাচার্য দীপকরঞ্জন মণ্ডল।

এ দিন ৪৪ জন কৃতী পড়ুয়াকে পদক দিয়ে সম্মানিত করা হয়। নিজের বক্তব্য পেশ করার পরে উপাচার্যকে অনুষ্ঠান চালানোর দায়িত্ব দিয়ে বেরিয়ে যান রাজ্যপাল। উপাচার্য কৃতীদের সম্মান তুলে দেন। তবে আচার্যের হাত থেকে সম্মান নিতে না পারায় অনেকেই হতাশ। এ দিন পুরুলিয়া সৈনিক স্কুলের হেলিপ্যাডে নেমে স্কুলের ক্যাডেটদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন রাজ্যপাল।

Keshari Nath Tripathi
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy