উত্তপ্ত পশ্চিম এশিয়া। —ফাইল চিত্র।
জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে ড্রোন হামলার কারণে দুবাইয়ে মার্কিন কনসুলেটের নিকটবর্তী এলাকায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। তবে কর্তৃপক্ষ দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছেন। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
সংবাদ সংস্থা রয়টার্স সূত্রে খবর, দুবাইয়ে মার্কিন কনসুলেটের নিকটবর্তী একটি এলাকা থেকে ধোঁয়া দেখা গিয়েছে। দু’জন প্রত্যক্ষদর্শী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রয়টার্স সূত্রে খবর, ইজ়রায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, হামলায় লেবাননে ইরানের কুদস ফোর্সের কমান্ডার নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার বিদেশ মন্ত্রক জানায়, তেহরান থেকে বেশির ভাগ ভারতীয় পড়ুয়াকেই নিরাপদে বার করে আনা গিয়েছে। খুব কম সংখ্যক পড়ুয়া এখনও সেখানে আটকে রয়েছে। সে দেশে ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, নিরাপত্তা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।
আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ডের দাবি, গত শনিবার থেকে ইরানের ১৭০০ জায়গায় হামলা চালিয়েছে মার্কিন সেনা।
আবার ইরান নিয়ে মুখ খুললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তেহরান নাকি আলোচনা চেয়েছিল! তবে ইরানের সেই প্রস্তাব নাকচ করে দেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, ‘‘বড্ড দেরি হয়ে গিয়েছে।’’ ট্রাম্পের আরও দাবি, ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী সব শেষ!
ইরানের পরমাণুকেন্দ্র নাতান্জ় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে! নিশ্চিত করল রাষ্ট্রপুঞ্জ নিয়ন্ত্রিত আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ)। তারা জানিয়েছে, ইরানের নাতান্জ় শহরে থাকা পরমাণুকেন্দ্রের কিছু জায়গার ক্ষতি হয়েছে। তবে এ-ও জানায়, ক্ষতির পরিমাণ তেমন মারাত্মক নয়। নাতান্জ় পরমাণুকেন্দ্রের প্রবেশের মুখে যে ভবনগুলি রয়েছে, সেগুলি আঘাতপ্রাপ্ত। অক্ষত রয়েছে মাটির নীচে থাকা পরমাণু স্থাপনা। কোনও তেজস্ক্রিয় বিকিরণ হয়নি।
বিস্ফোরণ হল ইরানের ইস্পাহান। রয়টার্স সূত্রে খবর, মঙ্গলবার দুপুরে ইস্পাহান জোরালো বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে। যদি কী বিস্ফোরণ হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই শহরে ইরানের অন্যতম পরমাণুকেন্দ্র রয়েছে। গত বছর এখানেই হামলা চালিয়েছিল আমেরিকা।
আমেরিকা-ইজ়রায়েলের যৌথ হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইউনেসকোর স্বীকৃতি প্রাপ্ত গোলেস্তান প্রাসাদ। দাবি ইরানের।
পশ্চিম এশিয়ার একের পর এক দেশে যুদ্ধ পরিস্থিতি ছড়িয়ে পড়েছে। সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর থেকে কুয়েত ১৭৮টি ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৩৮৪টি ড্রোন হানা ঠেকিয়েছে।
প্রথমে হামলা হয় সৌদি আরবের রিয়াধে মার্কিন দূতাবাসে। সোমবার বেশি রাতের দিকে রিয়াধে মার্কি দূতাবাসে হামলা হয়। দু’টি ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। দূতাবাসে আগুন ধরে যাওয়ার খবরও পাওয়া যায়।
কুয়েতের পরে এ বার সৌদি আরব। ফের মার্কিন দূতাবাসে চলল হামলা। সোমবার বেশি রাতের দিকে সৌদির রাজধানী রিয়াধে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলা চলে। হামলার জেরে আগুন ধরে যায় দূতাবাসে। কে বা কারা এই হামলা চালিয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কারণ, পশ্চিম এশিয়ায় বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীও সক্রিয় রয়েছে। যদিও আমেরিকার সন্দেহ ইরানই হামলা চালিয়েছে।
বিস্ফোরণ হল ইরানের ইস্পাহানে। রয়টার্স জানাচ্ছে, মঙ্গলবার দুপুরে ইস্পাহান জোরালো বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে। যদি কী বিস্ফোরণ হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই শহরে ইরানের অন্যতম পরমাণুকেন্দ্র রয়েছে। গত বছর এখানেই হামলা চালিয়েছিল আমেরিকা।
চার দিন ধরে চলতে থাকা এই যুদ্ধ পরিস্থিতিতে মুহুর্মুহু ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানে। সবচেয়ে বেশি ক্ষেপণাস্ত্র পড়েছে তেহরান এবং তার সংলগ্ন এলাকাতেই। ইরানের দক্ষিণ প্রান্তে মিনাব শহরে একটি স্কুলেও হামলা হয়েছে। তাতে ১৫০-র বেশি ছাত্রী নিহত হয়। এ ছাড়া ইরানের আরও অন্তত ১৮টি জায়গায় হামলা চালিয়েছে আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের বাহিনী। ইরানও সব মিলিয়ে পশ্চিম এশিয়ার অন্তত ১৯টি জায়গায় প্রত্যাঘাত করেছে।
গত শনিবার আমেরিকা এবং ইজ়রায়েল যৌথ ভাবে হামলা চালায় ইরানে। হামলায় নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। হামলার প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে উঠেই প্রত্যাঘাত শুরু করে ইরান। শুধু ইজ়রায়েলে নয়, পশ্চিম এশিয়ায় যে দেশগুলিতে মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে— প্রায় সব দেশেই হামলা করেছে তেহরান। সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, ওমান, বাহরিন, কুয়েত, ইরাক, সিরিয়া, জর্ডনে হামলা চালায় তেহরান। এর মধ্যে বহু হামলা প্রতিহতও করেছে আমেরিকার ‘বন্ধু’ দেশগুলি।
Or
By continuing, you agree to our terms of use
and acknowledge our privacy policy
We will send you a One Time Password on this mobile number or email id
Or
By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy