(বাঁ দিকে) আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স এবং ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি (ডান দিকে)। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
শান্তিবৈঠক চলাকালীন আবার নিজের ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করে হরমুজ় প্রণালী খোলার দাবি জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি লেখেন, ‘শীঘ্রই হরমুজ় প্রণালী খুলবে। আমেরিকা সম্পূর্ণ ভাবে ইরানের বায়ু এবং নৌসেনা ধ্বংস করেছে। কিছু বাকি নেই। তাদের নেতৃত্ব খতম হয়েছে।’
ইরানের প্রতি নমনীয়তা দেখানোয় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিচেপ তায়িপ এর্ডোগানকে নিশানা করেছেন নেতানিয়াহু। একই সঙ্গে কুর্দি হত্যার নেপথ্যে তুরস্কের প্রেসিডেন্টের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী।
ইসলামাবাদে ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে আলোচনা চলছে। সেই বৈঠকে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় রয়েছে পাকিস্তান। প্রশ্ন উঠছে, আমেরিকা এবং ইরান যদি কোনও ‘চুক্তি’ করে, তবে তা কি মেনে নেবে ইজ়রায়েল? সে দেশের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এক্স পোস্টে জানান, ইরানের তথাকথিত ‘সন্ত্রাসী শাসন’ এবং তার অনুচরদের বিরুদ্ধে আক্রমণ অব্যাহত রাখবেন তাঁরা।
মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে পোঁতা মাইন অপসারণ অভিযানের জন্য তারা ‘প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম’ শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই ইউএসএস ফ্র্যাঙ্ক পিটারসন এবং ইউএসএস মাইকেল মারফি নামে দুই রণতরী পার করেছে প্রণালী। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরানের রেভোলিউশনারি গার্ড কোর যে সব মাইন পুঁতে ছিল তা সম্পূর্ণরূপে সরিয়ে ফেলার অভিযান চলছে।
ফিনান্সিয়াল টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় ‘অচলাবস্থা’ অব্যাহত রয়েছে। ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত বৈঠক সম্পর্কে অবগত দুই আধিকারিককে উদ্ধৃত করে ফিনান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, হরমুজ় খোলা হবে কি না, তা নিয়ে আলোচনায় টানাপড়েন চলছে। ওই জলপথের উপর তাদের নিয়ন্ত্রণ রাখার দাবিতে অনড় ইরান। একই সঙ্গে ওই প্রণালী দিয়ে পারপার হওয়া জাহাজগুলি থেকে শুল্ক আদায় করার যে শর্ত ইরান দিয়েছিল, তা থেকে আপাতত সরতে নারাজ তারা।
আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে শান্তিবৈঠক চলছে ইসলামাবাদে। ইরানি সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, দুই দেশের প্রতিনিধির মধ্যে দু’দফার আলোচনা হয়ে গিয়েছে। শনিবার রাতেই তৃতীয় দফার আলোচনা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
পাকিস্তানকে স্পষ্ট ভাষায় আমেরিকা জানিয়ে দিয়েছিল, মার্কিন রণতরী যদি হরমুজ়ের দিকে এগোয়, তবে তা লক্ষ্যবস্তু করা হবে। সেই হুমকি প্রকাশ্যে আসার পরই পথ পরিবর্তন করে আমেরিকার জাহাজ। জানা যায়, ওই শান্তিবৈঠকের মাঝেই দু’টি মার্কিন রণতরী পার হয়েছে হরমুজ় দিয়ে।
শান্তিবৈঠকের মাঝেই ট্রাম্প তাঁর ট্রুথ সোশ্যালের পোস্টে লেখেন, ‘অনেক প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে ইরান জিতছে, তবে প্রকৃতপক্ষে সবাই জানেন তারা হারছে। তাদের সব ধ্বংস হয়ে গিয়েছে।’ ট্রাম্প দাবি করেন, ‘ইরানের নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন কিচ্ছু নেই। সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়, তাদের বড় নেতারাও আমাদের মধ্যে নেই।’
Or
By continuing, you agree to our terms of use
and acknowledge our privacy policy
We will send you a One Time Password on this mobile number or email id
Or
By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy