ডোনাল্ড ট্রাম্প। —ফাইল চিত্র।
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ জানান, তাঁদের দেশ যে আলোচনায় আগ্রহী তা বোঝাতে সমর্থ হয়েছেন। তার ফলে আলোচনা কিছুটা এগিয়েওছে।
গালিবাফ বলেন, “ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন হুমকি ইরানের উপর কোনও প্রভাব ফেলবে না।”
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হরমুজ় ‘অবরোধ’-এর হুঁশিয়ারির পর এ বার পাল্টা দিল ইরান। ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়ে দিল, কোনও সামরিক জাহাজ হরমুজ়ের দিকে এগোনোর চেষ্টা করলে তা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের সামিল বলে ধরে নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তারা এ-ও জানিয়েছে, বাণিজ্যিক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি বর্তমানে ইরানের নৌসেনার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে অসামরিক জাহাজগুলি এই জলপথ দিয়ে চলাচল করতে পারবে বলেও জানিয়েছে তারা।
ইরানের সঙ্গে শান্তিবৈঠক ভেস্তে যাওয়ার পরেই হরমুজ় প্রণালীতে ‘অবরোধ’ শুরু করার কথা ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, হরমুজ়ে প্রবেশ বা সেখান থেকে বেরোনোর চেষ্টা করা সকল জাহাজকে আটকে দেবে মার্কিন নৌসেনা। ট্রাম্পের এই হরমুজ় অবরোধের ঘোষণায় নতুন করে উদ্বেগ দানা বাঁধতে শুরু করেছে। কারণ বিশ্বে পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আলগা করতে চায় না ইরানও। এই পরিস্থিতিতে এই সংকীর্ণ জলপথের দখল নিয়ে দুই দেশ নতুন করে সংঘাতে জড়াবে কি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।
আমেরিকার হামলায় ইরানের পরমাণুকেন্দ্র সমস্তই ধ্বংস হয়ে গিয়েছে বলে দাবি করেছেন ভান্স। তবে পরমাণু বোমা তৈরি না-করার মৌলিক কোনও ইচ্ছা ইরান দেখাচ্ছে না। সেটাই আমেরিকা দেখতে চায়। শুধু এখনকার জন্য নয়, এই বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা চান ভান্সরা। ইরান তাতে রাজি হয়নি। ভান্স জানিয়েছেন, ইরান এতে রাজি হবে বলে তিনি আশাবাদী এবং সেই আশা নিয়েই আমেরিকা ফিরছেন।
শনিবারের শান্তিবৈঠক শেষে আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স দাবি করেছিলেন, ইরান তাঁদের সঙ্গে ঠিকমতো সহযোগিতা করতে রাজি হয়নি। বৈঠক ব্যর্থ হয়েছে। তাঁরা তাই আমেরিকার উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন। বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পুরো দায় তেহরানের উপরেই চাপায় আমেরিকা। শুধু তা-ই নয়, ইরানের ‘অনমনীয়’ মনোভাবেরও সমালোচনা করা হয় আমেরিকার তরফে। তবে ইরান অন্য দাবি করে। তাদের পাল্টা দাবি, আমেরিকা এমন কিছু ‘অযৌক্তিক দাবি’ করছিল, যেগুলি দেশের সার্বভৌমত্বের স্বার্থে, দেশের মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে কোনও ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
ইসলামাবাদের ২১ ঘণ্টার আলোচনার পরেও কোনও রফাসূত্র বার করতে পারল না আমেরিকা এবং ইরান। কোনও শান্তিচুক্তি হল না দু’পক্ষের মধ্যে। । রবিবার সকালে বৈঠক মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স জানিয়ে দেন যে, তাঁর কাছে ‘দুঃসংবাদ’ আছে। কারণ, ইরান তাঁদের শর্ত মানেনি। যদিও তেহরান অন্য রকম দাবি করে।
Or
By continuing, you agree to our terms of use
and acknowledge our privacy policy
We will send you a One Time Password on this mobile number or email id
Or
By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy