কাতারের সরকারি সংবাদ সংস্থার ওয়েবসাইট হ্যাকিংয়ে রুশ হ্যাকারদের জড়িত থাকার অভিযোগ উড়িয়ে দিল মস্কো। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ ও বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের অভিযোগ, মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফের রাশিয়ার বিরুদ্ধে কুৎসা ছড়াচ্ছে। সন্ত্রাসে মদত দেওয়ার অভিযোগ এনে কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে ছ’টি আরব দেশ। আমেরিকার চাপেই যে ওই দেশগুলি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা গত কাল স্পষ্ট করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের প্রতি সুর নরম করার কারণেই কাতারকে একঘরে করা হয়েছে বলে মত কূটনীতিকদের। কাতারের সরকারি সংবাদ সংস্থার ওয়েবসাইটে সে দেশের আমিরের সাক্ষাৎকার সৌদি-সহ অন্য আরব দেশগুলির সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়েছিল। কারণ, ওই সাক্ষাৎকারে ইরানকে ‘ইসলামি শক্তি’ বলে বর্ণনা করেছিলেন আমির শেখ তামিম বিন হামিদ অল ঠানি। কাতারের দাবি, আমির ওই বিবৃতি আদৌ দেননি। ওয়েবসাইট হ্যাক করা হয়েছিল। একটি মার্কিন টিভি চ্যানেল গত কাল দাবি করেছে, ওই ওয়েবসাইট হ্যাকিংয়ে পিছনে রুশ হ্যাকারদের হাত থাকতে পারে। পুতিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বুধবার বলেন, ‘‘কোনও কেলেঙ্কারি হলেই মার্কিন সংবাদমাধ্যম রুশ হ্যাকারদের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে দেয়।’’