Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

১৭ মে ২০২২ ই-পেপার

URL Copied

আন্তর্জাতিক

হাতে বিপুল অর্থ, তবু খেটেখুটে সংসার টানতে হয় তরুণীকে, কেন জানেন?

নিজস্ব প্রতিবেদন
২৭ অক্টোবর ২০১৯ ১৪:০৬
লটারি পেয়ে গিয়েছিলেন। ভাগ্যের চাকা যে আচমকাই এই গতিতে ঘুরতে শুরু করবে, স্বপ্নেও ভাবেননি তিনি। (প্রতীকী ছবি)

না চাইতেই প্রায় ১২৩ কোটি টাকা! তাও আবার নিজের কাকার সম্পত্তি! লটারিই বটে। কিন্তু ধরুন, লটারির টিকিটটা নিয়ে লটারি অফিসে গিয়ে জানতে পারলেন, তার সময়সীমা পেরিয়ে গিয়েছে, তখন কেমন লাগবে? (প্রতীকী ছবি)
Advertisement
ঠিক এমনটাই লেগেছিল ইতালির ক্লডিয়া মরেটির। ১২৩কোটি তাঁর কাছে এখন কাগজের টুকরো ছাড়া আর কিছুই নয়। (প্রতীকী ছবি)

এই টাকা ক্লডিয়া যদিও কোনও লটারির টিকিট কেটে পাননি। একেবারে পুরোটাই নগদ হাতে পেয়েছেন তিনি। কিন্তু সে লটারির টিকিটই হোক বা নগদ টাকা, মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে দুটোই কাগজের টুকরো হিসাবেই থেকে যায়। (প্রতীকী ছবি)
Advertisement
নিশ্চয় বুঝতে পারছেন না কী হয়েছে? বিষয়টা খুলে বলা যাক। ক্লডিয়া মরেটি ইতালির আদ্রিয়াটিক উপকূলে পেসারোতে থাকেন। একটা কল সেন্টারে কাজ করেন তিনি। একেবারেই মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে। সংসার চলে কোনও মতেই। (প্রতীকী ছবি)

2014 সালে ক্লডিয়ার কাকার মৃত্যু হয়। কাকা একাই থাকতেন। কাকার নিজের কোনও পরিবার ছিল না। (প্রতীকী ছবি)

কাকার বাড়ি গিয়েই লটারি পান ক্লডিয়া। কাকার আলমারি থেকে নগদ ১০ কোটি লিরা পান। ভারতীয় মূল্যে হিসাব করলে যা দাঁড়ায় ১২২ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। (প্রতীকী ছবি)

হাতে যেন চাঁদ পেয়ে যান ক্লডিয়া। কাকার সম্পত্তি তাঁরই পাওয়ার কথা। এতগুলো টাকা পেয়ে ভবিষ্যত্ নিয়েও অনেক কিছু ভেবে ফেলেন ক্লডিয়া। (প্রতীকী ছবি)

কিন্তু ইতালির মুদ্রা বর্তমানে ইউরো। ২০০২ সালের ১ জানুয়ারি থেকেই লিরার পরিবর্তে ইউরো প্রবর্তন করা হয়েছে দেশে। ফলে লিরাগুলোকে ইউরোতে বদলাতে হত ক্লডিয়াকে। (প্রতীকী ছবি)

কাকার মৃত্যুর যাবতীয় কাজকর্ম সেরে ইতালির সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কে ১০ কোটি লিরা নিয়ে হাজির হন ক্লডিয়া। (প্রতীকী ছবি)

কিন্তু ভাগ্য যে এই ভাবে তাঁর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করবে, তা কি ক্লডিয়া কখনও ভেবেছিলেন! ব্যাঙ্কে গিয়ে জানতে পারেন, তাঁর লিরার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। (প্রতীকী ছবি)

২০১১ সাল পর্যন্ত যাবতীয় লিরা ইউরোয় বদলে নেওয়ার জন্য সুযোগ দিয়েছিল প্রশাসন। সেই মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। ফলে লিরা আর ইউরোয় বদলানো সম্ভব নয়। (প্রতীকী ছবি)

এর পর ব্যাঙ্কে ম্যানেজারের সঙ্গে অনেক আলোচনা করেছেন। কিন্তু কোনওভাবে নিজের কাজটা করিয়ে নিতে পারেননি। মেয়াদ উত্তীর্ণ লিরাগুলো অকেজোই রয়ে গিয়েছে। (প্রতীকী ছবি)

ক্লডিয়ার হাতে এখন যে  বিপুল অর্থ রয়েছে, সেগুলো নিতান্তই রঙিন কাগজের টুকরো ছাড়া আর কিছুই নয়। (প্রতীকী ছবি)