ভাইফোঁটায় আসা হয়নি, প্রবাসী ভাই ঘরে ফিরলে দিলখুশ করুন এই বিশেষ পদ দিয়েই
ভাইফোঁটার বাজারে ছিল কতশত মিষ্টির বাহার! রাবড়ি, ফিরনি থেকে শুরু করে গুলাব জামুন, আরও কত কী!
ভাইফোঁটার বাজারে ছিল কতশত মিষ্টির বাহার! রাবড়ি, ফিরনি থেকে শুরু করে গুলাব জামুন, আরও কত কী!
তবু প্রবাসী ভাই এই বিশেষ দিনে না ফিরলে সব আয়োজনই যেন ব্যর্থ মনে হয়।
কিন্তু ভাইফোঁটায় দেখা হয়নি তো কী হয়েছে? এ বার প্রিয় ভাই ঘরে ফিরলে তাঁর মন খুশি করতে বাড়িতেই বানিয়ে ফেলতে পারেন এই বিশেষ মিষ্টি।
চমকদার এই পদটি হল ক্ষীরপটল।
সামান্য কয়েকটি উপকরণ দিয়ে চটজলদি বানিয়ে ফেলতে পারেন বাড়িতেই। কী কী লাগবে? রইল সবটাই।
আরও পড়ুন:
উপকরণ- ছ’টি পটল, ১৫০ গ্রাম খোয়া, ১৮০ গ্রাম দুধ, ৬৫গ্রাম চিনি, দু’টি এলাচ, পরিমাণ মতো নুন।
এই মিষ্টির জন্য যে সিরাপ বানানো হবে, তার জন্য লাগবে- ২০০ গ্রাম জল, ১৩০ গ্রাম চিনি, খাওয়ার উপযোগী সবুজ রং পরিমাণ মতো এবং এক টেবিল চামচ গোলাপ জল।
প্রথমেই ভাল করে পটলগুলির খোসা ছাড়িয়ে ভিতরের সমস্ত দানাগুলি বার করে নিতে হবে।
তার পরে ফোটানো গরম জলে ঠিক দেড় মিনিট পটলগুলিকে ছেঁকে নিয়ে দিয়ে দিতে হবে সবুজ সিরাপের মধ্যে।
আরও পড়ুন:
সবুজ সিরাপটি বানানোর পদ্ধতি খুবই সহজ। প্রথমে ১৩০ গ্রাম চিনির সঙ্গে জল দিয়ে কড়াই বসাতে হবে আগুনে। জল ফোটার সময়েই তার মধ্যে দিয়ে দিতে হবে সবুজ রং।
সিরাপ গাঢ় হয়ে এলে তাতে পটল দেওয়ার পালা। পটল নরম হয়ে এলে গ্যাস বন্ধ করে তাতে মিশিয়ে নিতে হবে অল্প একটু গোলাপ জল।
অপর দিকে অন্য একটি কড়াইতে হালকা ফোটানো দুধে খোয়া ক্ষীর, চিনি, এলাচ এবং এক চিমটি নুন দিয়ে একটা গাঢ় পুর তৈরি করে নিতে হবে।
পুর ঠান্ডা হলে পটলের মধ্যে তা ভরে নিয়ে উপর থেকে ছড়িয়ে নিন কাজু, পেস্তার টুকরো। ব্যস, তাহলেই তৈরি সহজ সরল ক্ষীর পটল। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।)