দশমীতেই কিনা 'ড্রাই ডে'! উমা বিদায়ের কষ্টে কত গ্যালন মদ্যপান বঙ্গবাসীর?
দুর্গাপুজোর আনন্দে একটু পান-টান না করলে চলে!
দুর্গাপুজোর আনন্দে একটু পান-টান না করলে চলে! আজকাল অনেকেই ঠাকুর দেখার বদলে বাড়ি বসে আড্ডা দিতে স্বচ্ছন্দ বোধ করেন। আর সেই আড্ডায় ভুরিভোজের সঙ্গে দেদার পানীয়ের ব্যবস্থাও থাকে।
আর তার জেরেই এ বার দুর্গাপুজোর সময় রেকর্ড মদ বিক্রি হল বঙ্গে।
তবে দশমী আর গান্ধী জয়ন্তী এ বার একই দিনে পড়েছিল। ফলে সেই দিনটি ‘ড্রাই ডে’ হওয়ায় মদ বিক্রি বন্ধ ছিল।
কিন্তু তাতে কি আনন্দ, মজায় ফাঁকি পড়বে? একদম না। আগে থেকেই সমস্ত বন্দোবস্ত করে রেখেছিলেন সুরপ্রেমীরা।
প্রতি বারের মতোই এই বারও সমস্ত জেলাতেই রেকর্ড মূল্যের মদ বিক্রি হয়েছে। তবে সব জেলাকে ছাপিয়ে গিয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর।
আরও পড়ুন:
ষষ্ঠী থেকে নবমী এই জেলায় ৩৩ কোটি ৮৭ হাজার টাকার মদ বিক্রি হয়েছে।
জানা গিয়েছে এই বছর বিদেশি মদের বদলে দেশীয় মদের চাহিদা বেশি ছিল।
দশমী এবং গান্ধী জয়ন্তী একই দিনে না পড়লে এই বিক্রির পরিমাণ যে আরও বাড়ত তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
তবে পূর্ব মেদিনীপুরের সবাইকে ছাপিয়ে যাওয়ার কারণও রয়েছে! এই জেলাতেই তো দিঘা, মন্দারমণি, তাজপুরের মতো একাধিক পর্যটনকেন্দ্র রয়েছে। ফলে সুরার চাহিদাও পুজোর ক’দিন ছিল আকাশ ছোঁয়া।
আরও পড়ুন:
গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে পুজোর চার দিনে ১৫০ কোটি টাকার মদ বিক্রি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে আবগারি দফতর থেকে। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।)