• বিজ্ঞাপন প্রতিবেদন
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

ইঞ্জিনিয়ার বা ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন? কোচিং সেন্টারই হতে পারে সাফল্যের চাবিকাঠি

Main

দেশের তরুণ প্রজন্ম তাদের কেরিয়ারের বিষয়ে অনেকটা একই রকম ভাবেই চিন্তা-ভাবনা করে। সে তারা দেশের যে কোনও প্রান্তেই বাস করুক না কেন! এদের মধ্যে বহু ছাত্র-ছাত্রীই ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন দেখে। কারণ চিকিৎসা এমন একটি পেশা যেখান নিঃস্বার্থভাবে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সুযোগ রয়েছে। অন্যদিকে অনেকের কাছে ইঞ্জিনিয়ারিং অনেক বেশি আকর্ষণীয়। উভয় ক্ষেত্রেই চাকরি এবং উপার্জনের সম্ভাবনাও বাকিদের অনেকটাই বেশি থাকে।

আর সেই কারণেই লকডাউন শেষ হয়ে গেলে, এই মহামারীর মধ্যেই বাংলার প্রায় এক লক্ষেরও বেশি ছাত্র-ছাত্রী তাদের জীবনের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবে। ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্নপূরণের প্রথম ধাপ। ফলত প্রত্যেকের উপরে চাপ অনেকটাই বেশি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ছাত্র-ছাত্রীরা এই চাপ সঠিক ভাবে অনুধাবন করতে পারে না। ফলে প্রায়শই তারা মৌলিক বিষয়গুলি না বুঝেই একের পর এক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে শুরু করে দেয়। এই পরিস্থিতিতে কোনও শিক্ষার্থীর মনকে যদি ভাল ভাবে লালন না করা হয়, তবে তার দিকভ্রষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কেবলমাত্র কোনও সঠিক পথ প্রদর্শক বা শিক্ষকই পারেন, শিক্ষার্থীকে তার অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে। বর্তমানে এই পথ প্রদর্শনের ভূমিকাই নিয়েছে কোচিং সেন্টারগুলি। যারা পরামর্শদাতা হিসেবে কোনও শিক্ষার্থীকে তার স্বপ্নের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সাহায্য করে।

জীবনের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাগুলির প্রস্তুতির এই সন্ধিক্ষণে উপযুক্ত কোচিং সেন্টার খোঁজার বিষয়টি বেশ কঠিন কাজ। কেন না বর্তমান সময়ে প্রত্যেকের সামনে এত বিকল্প রয়েছে যে ঘাবড়ে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। তাছাড়াও যখন কোনও সিদ্ধান্তের উপর কোনও শিক্ষার্থীর গোটা কেরিয়ার নির্ভর করছে, তখন সেই সিদ্ধান্ত নেওয়াটা যথেষ্ট কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।

শিক্ষার্থীদের পছন্দসই কোচিং সেন্টারগুলির এই লম্বা লাইনে পেস আইআইটি এবং মেডিক্যাল রয়েছে প্রথম সারিতেই। এটি ভারতের অন্যতম শীর্ষ কোচিং সেন্টারগুলির মধ্যে একটি। কিন্তু কেন?

কোনও কোচিং সেন্টার পরিচিতি পায়, তার ছাত্রদের জন্য। পরীক্ষায় ছাত্রদের ফলাফল সেই কোচিং সেন্টারের হয়ে কথা বলে। পেস-এর ক্ষেত্রেও বিষয়টি ঠিক তাই। গত ১৭ জানুয়ারি জয়েন্ট এন্ট্রান্স মেইন-এর ফলাফল ঘোষণা করে এনটিএ। আর সেখানে যথারীতি পেস আইআইটি এবং মেডিক্যালের ছাত্র-ছাত্রীরা বেশ ভালই ফল করে। এদের মধ্যে ৮ জনের পেয়েছে ৯৯.৯৯ শতাংশের বেশি এবং ৯৯.৮ শতাংশ পেয়েছে ১৮৩ জন। ১১৫৭-এর বেশি ছাত্র-ছাত্রী ৯০ শতাংশেরও বেশি নম্বর স্কোর করেছে।

দেখা গিয়েছে, পেসের প্রত্যেক প্রাক্তন শিক্ষার্থীই তাদের আগামী প্রজন্মকে পেসের জন্য সুপারিশ করেছে। এর একমাত্র কারণ কি শুধুমাত্র পেসের পড়াশোনার পদ্ধতি যা কীনা কোনও ছাত্রকে কঠিন বাস্তবে সঙ্গে লড়াই করতে শেখায়? আসুন দেখি শিক্ষার্থীরা ঠিক কী বলছে -

বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটির আইআইটির ছাত্র ঈশান পাত্র, জানাচ্ছে, "পরীক্ষায় তার সাফল্যের নেপথ্যে পেস-এর অবদান অনস্বীকার্য। শিক্ষকেরা যে ভাবে বছরভর তাদেরকে সাহায্য করেছেন এবং বিভিন্নভাবে অনুপ্রাণিত করেছেন, তা তুলনাহীন। অন্যদিকে এসএসকেএম-এর ছাত্রী কৌশিকী গুহ তথা পেসের রিপিটার্স ব্যাচের প্রাক্তনী তুলে ধরেছেন পেসের ‘ডাউট ক্লিয়ারিং সেশন’ অর্থাৎ প্রশ্ন বা সংকোচ মেটানোর জন্য স্পেশাল ক্লাসের কথা। যা তাকে তার দূর্বলতা এবং অসুবিধাগুলিকে বার বার মূল্যায়ণ করতে শিখিয়েছিল। শিক্ষকদের ক্রমাগত পরামর্শ যে ভাবে তার দক্ষতা বাড়াতে ও স্বপ্নপূরণে সাহায্য করেছে, তার জন্য কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছে কৌশিকী। আবার কল্যাণী মেডিক্যাল কলেজের ছাত্র সাগ্নিক ভট্টাচার্য কথায়, "পেস-এর বিষয়ে যে জিনিসটি সে সব থেকে বেশি অনুভব করেছি সেটি হল তাদের ফ্যাকাল্টি এবং স্টাফদের দায়িত্বশীলতা এবং ক্রমাগত প্রেরণা যুগিয়ে যাওয়ার মনোভাব, যা এই ধরনের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য সত্যিই প্রয়োজন।" সেই সঙ্গে পেসের টেস্ট সিরিজগুলির প্রাসঙ্গিকতাও চিহ্নিত করেছে সে। শুধু ছাত্ররাই নয়, পেসের গুণমুগ্ধতার গল্প শোনা গিয়েছে শিক্ষকের গলাতেও। পেসের রসায়ণ বিভাগের প্রবীণ ফ্যাকাল্টি মোহিত সিং-এর ভাষায়, "জয়েন্ট মেইন ২০২০-তে আমাদের শিক্ষার্থীদের এই ধরনের বিপুল সাফল্য আদতে তাদের কঠিন পরিশ্রমেরই ফলাফল। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার জন্য যে প্যাশন দরকার, তা তাদের প্রত্যেকের মধ্যেই রয়েছে এবং সেই প্যাশন যেন সব কিছুকে ছাপিয়ে যায়। তাদের এই সিদ্ধান্ত এবং এই ফলাফল তাদেরকে স্বপ্নের দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে দিয়েছে।"

এ তো গেল পেসের সাফল্যের কাহিনী। কিন্তু এবার প্রশ্ন হল, পেস কী ভাবে কোনও শিক্ষার্থীকে সহায়তা করতে পারবে? কোনও কোচিং সেন্টারের বিষয়ে শিক্ষার্থীদের মনে সর্বদাই বেশ কিছু প্রশ্ন ঘুরপাক খায়। যেমন - কোনও আদর্শ কোচিং সেন্টারে কেমন হওয়া উচিৎ? সেখানে একজন শিক্ষার্থী কী কী সুযোগ-সুবিধা পেতে পারে? ইত্যাদি। এই সমস্ত কিছুকেই একত্রিত করে, পেস তাদের কোর্সটিকে তৈরি করেছে যাতে আইআইটি এবং মেডিক্যাল প্রত্যাশী ছাত্র-ছাত্রীরা ভাল ভাবে নিজেদেরকে গড়তে পারে।

কেন পেস অন্যদের থেকে আলাদা -

১। ছোট ক্লাসরুম, যেখানে শিক্ষার্থীরা বিশাল সংখ্যার মধ্যে হারিয়ে যায় না, অবহেলিত বোধ করে না।

২। শিক্ষকরা প্রত্যেকেই আইআইটি কিংবা মেডিক্যালের প্রাক্তণী। ফলে তারা  ব্যবহারিক ধারণার মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের সেই সমস্ত বিষয়ে সাহায্য করতে পারে, যা অন্য কারওর পক্ষে অসম্ভব। ফলে শিক্ষার্থীদের কাছে শেখার প্রক্রিয়া অনেক বেশি সহজ হয়ে যায়।

৩। অনেক শিক্ষার্থীরা ক্লাসের মাঝে প্রশ্ন করতে সংকোচ বোধ করে। তাদের জন্য রয়েছে স্পেশাল মুখোমুখি কাউন্সেলিং সেশন যা কি না ওই শিক্ষার্থীর সংকোচ দূর করতে সাহায্য করে।

৪। পাশাপাশি পেস ছাত্র-ছাত্রীদের অলিম্পিয়াডের মতো বিভিন্ন আঞ্চলিক ও জাতীয় স্তরের পরীক্ষার প্রস্তুতিতেও সাহায্য করে।

এখন প্রশ্ন হল এই সমস্ত সুযোগ-সুবিধা আপনি কী ভাবে যাচাই করবেন? শিক্ষার্থী এবং অভিবাবকদের মন থেকে সংশয় দূর করতে পেস আইআইটি ও মেডিক্যাল নিয়ে এসেছে একটি সূবর্ণ সুযোগ। যেখানে কোনও শিক্ষার্থী বিনামূল্য ২ সপ্তাহের জন্য পেসের ছাত্র কমিউনিটির অংশ হতে পারবে। এই অফারের অন্যতম কারণ হল যাতে ছাত্র-ছাত্রীরা অন্যান্য কোচিং সেন্টারের সঙ্গে পেসের পার্থক্য বুঝতে পারে এবং অভিভাবকেরা ১০০ শতাংশ নিশ্চিত হতে পারে। বিবরণ নিম্নলিখিত -

১. বিনামূল্যে ২ সপ্তাহের জন্য অনলাইনে লাইভ লাইভ ট্রায়াল ক্লাস

২. ফ্রি ডিপিপি (ডেইলি প্র্যাকটিস পেপার)

৩. ফ্রি মডিউলস

৪. নিখরচায় বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

তা হলে আর অপেক্ষা কেন? পেসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে ফোন করুন +৯১ ৮৫৮৪৮৮৭৭৭৭ নম্বরে কিংবা মেইল করুন info.kolkata@iitianspace.com -এই ঠিকানায়। আসনগুলি দ্রুত পূরণ হচ্ছে। তাই এখনই যোগাযোগ করুন। পেসের ওয়েবসাইট ভিজিট করতে ক্লিক করুন - http://pacekolkata.in/

 

এটি একটি বিজ্ঞাপন প্রতিবেদন। পেস আইআইটি ও মেডিক্যাল কোচিং ইনস্টিটিউটের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন