এক দিকে, ভারতের খুচরো বিপণন ও নেট বাজারে আরও জোর কদমে ব্যবসা চালাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে একগুচ্ছ আপত্তি ও অনুরোধে ভরা চিঠি পাঠালেন বহুজাতিক ওয়ালমার্টের কর্তা। ১,৬০০ কোটি ডলারে এ দেশের ই-কমার্স সংস্থা ফ্লিপকার্টকে কিনে যে সংস্থা পা রেখেছে অনলাইন বিক্রিতে। অন্য দিকে, ভারতীয় ব্যবসায়ীদের সংগঠন সিএআইটি মোদীকে মঙ্গলবারই চিঠি দিল ওয়ালমার্ট ও অন্যান্য বিদেশি ই-কমার্স সংস্থাকে এ দেশে ব্যবসার জন্য এক চিলতে জমিও না ছাড়ার আর্জি জানিয়ে। আর এই চাপান-উতোরে এ দিন সরগরম হল নেট বাজার ও খুচরো বিপণন মহল।

ই-কমার্সে স্থায়ী নিয়ন্ত্রণ বিধি ও তথ্যের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলি নিয়ে মোদীকে চিঠি দিয়েছেন ওয়ালমার্ট সিইও ডগলাস ম্যাকমিলন। কেন্দ্র অনলাইন খুচরো ব্যবসায় প্রত্যক্ষ বিদেশি লগ্নির বিধি বদল করায় তাঁরা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন বলে আপত্তিও জানিয়েছেন তাতে। বলেছেন, ‘‘স্থায়ী ও উৎসাহজনক কেন্দ্রীয় নীতি ব্যবসার পরিকাঠামো তৈরিতে লগ্নিতে উৎসাহ দিতে পারে তাঁদের।’’ দোকান খুলতে লাইসেন্সের সংখ্যা কমানোর অনুরোধও করেছেন।

আবার এই দিনই বিদেশি ই-কমার্স সংস্থাকে প্রশ্রয় না দিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আর্জি জানিয়েছে সিএআইটি। অভিযোগ, ওই সব সংস্থা দেশের আইন ও নীতি মানে না। সংগঠনের কর্তা প্রবীণ খণ্ডেলওয়াল চিঠিতে বলেছেন, ওয়ালমার্টের মতো সংস্থার কৌশলই হল, চাপ তৈরি করে সুবিধা আদায়। যাতে বাজার কব্জা করা যায়।