ডাম্পারের চাকায় পিষ্ট হয়ে মৃত মোটরবাইক আরোহী। গুরুতর জখম তাঁর স্ত্রী। বুধবার সকালে, বারাসত-টাকি রোডের দেগঙ্গার বিশ্বনাথপুর এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম আবু সাম (৪৮)। তাঁর স্ত্রী তাজমিরা বিবি হাসপাতালে ভর্তি।

দুর্ঘটনার পরে ক্ষিপ্ত জনতা ডাম্পারটি ভাঙচুর করে। কিছু ক্ষণ যান চলাচল বন্ধ থাকে। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি আয়ত্তে আনে। ডাম্পারটি আটক করে পুলিশ। চালক পলাতক।

পুলিশ সূত্রের খবর, শাসন থানার গোলাবাড়ির মোঁচপোলের বাসিন্দা ছিলেন আবু। এ দিন সকালে ব্যবসার কাজে স্ত্রীকে নিয়ে বসিরহাটের দিকে যাচ্ছিলেন তিনি। বিশ্বনাথপুর ক্যাম্প এলাকায় বারাসত-টাকি রোডের কাজ চলছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সেই কাজে ব্যবহৃত একটি ডাম্পার পিছন থেকে মোটরবাইকটিকে ধাক্কা মারে। ডাম্পারের চাকায় পিষে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় আবুর। রাস্তার উপর ছিটকে পড়েন তাজমিরা। এলাকার মানুষ তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। পরে বারাসত হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয় তাঁকে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এক দিকে রাস্তার কাজ চলছিল, অন্য দিক দিয়ে ডাম্পারটি বেপরোয়া ভাবে আসছিল। হঠাৎ কিছু না দেখে সেটি বাঁক নেয়। তার জেরেই ঘটে দুর্ঘটনা। অভিযোগ, ডাম্পারে চালক থাকলেও ছিলেন না খালাসি। স্থানীয় বাসিন্দা সিরাজুল মণ্ডলের অভিযোগ, ‘‘ডাম্পারের চালকের ভুলেই ঘটনাটি ঘটেছে।’’

এলাকার মানুষের অভিযোগ, টাকি রোডের সম্প্রসারণের কাজ চলছে ধীর গতিতে। কিছু দিন আগে ধুলোয় অতিষ্ট হয়ে স্থানীয়েরা রাস্তা অবরোধ করেন। উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক অন্তরা আচার্য গিয়ে কাজে গতি আনার নির্দেশ দেন। কিন্তু তার পরেও সুরাহা হয়নি। এ দিন জেলাশাসক বলেন, ‘‘মাধ্যমিক পরীক্ষার আগে ওই ভাঙাচোরা রাস্তায় দ্রুত প্যাচওয়ার্ক করা হচ্ছে। তার পরেই রাস্তা সম্প্রসারণের কাজ করা হবে।।’’