• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

সংক্রমিত চার, বন্ধ জেলা স্বাস্থ্য দফতর

Corona
প্রতীকী ছবি।

করোনার হানা এ বার জেলা স্বাস্থ্য দফতরে। এক দিনে আক্রান্ত হলেন বারাসত স্বাস্থ্য জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের দফতরের চার কর্মী। তার ফলে ওই দফতরের অন্য কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। শুক্রবার তাঁদের রিপোর্ট আসার পরেই বন্ধ করে দেওয়া হয় ওই অফিস। শনিবার অফিস জীবাণুমুক্ত করা হয়। এ ছাড়াও বারাসতে আরও কয়েকটি সরকারি দফতরের অন্তত ২০ জন কর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে। আক্রান্ত পুলিশকর্মীর সংখ্যাও ২০ ছাড়িয়েছে। আগামী সোমবার ওই অফিস খোলা হতে পারে। 

উত্তর ২৪ পরগনায় আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। শুক্রবার জেলায় সংক্রমিতের সংখ্যা ছিল এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ। এক দিনে ৬৪৪ জনের রিপোর্ট পজ়িটিভ এসেছে। তার মধ্যে ব্যারাকপুর এবং বারাসতে সংক্রমিতের সংখ্যা সব থেকে বেশি। এত দিন সংক্রমিতের সংখ্যায় প্রথম নাম ছিল কলকাতার। উত্তর ২৪ পরগনার সঙ্গে কলকাতার ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিতের ফারাক থাকছিল দু’শোর বেশি। কিন্তু শুক্রবার পার্থক্য ২৬-এ নেমেছে। শুক্রবার কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬৭০। 

বারাসত স্বাস্থ্য জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক তাপস রায় বলেন, “কলকাতার তুলনায় বারাসতের কিছু কিছু এলাকায় জনঘনত্ব অনেক বেশি। ফলে সংক্রমিতের সংখ্যা কলকাতার তুলনায় এখানে বেশি হলেও চিন্তা নেই। আর তা ছাড়া শুক্রবার থেকে জেলায় র্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা শুরু হয়েছে। তার ফলে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। আগামী কয়েক দিনে অ্যান্টিজেন পরীক্ষা আরও বাড়বে। ফলে আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।”

তবে স্বাস্থ্য আধিকারিকেরা আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়তে দেখে আগামী কয়েক সপ্তাহ লোকজনকে আরও সাবধানে চলাফেরার পরামর্শ দিচ্ছেন। কারণ উপসর্গহীন রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। ফলে সংক্রমিতের সংস্পর্শে এলে আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়বে।

এ দিকে শনিবারই বারাসত পুরসভা এলাকায় নতুন করে ছ’জন আক্রান্ত হয়েছেন। 

শুক্রবার রাতে সেখানকার ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে করোনা-আক্রান্ত এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। ১১ জুলাই তিনি আক্রান্ত হন। বারাসতের কোভিড হাসপাতাল থেকে তাঁকে কলকাতার এম আর বাঙুর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

 

(জরুরি ঘোষণা: কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের জন্য কয়েকটি বিশেষ হেল্পলাইন চালু করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এই হেল্পলাইন নম্বরগুলিতে ফোন করলে অ্যাম্বুল্যান্স বা টেলিমেডিসিন সংক্রান্ত পরিষেবা নিয়ে সহায়তা মিলবে। পাশাপাশি থাকছে একটি সার্বিক হেল্পলাইন নম্বরও।

• সার্বিক হেল্পলাইন নম্বর: ১৮০০ ৩১৩ ৪৪৪ ২২২
• টেলিমেডিসিন সংক্রান্ত হেল্পলাইন নম্বর: ০৩৩-২৩৫৭৬০০১
• কোভিড-১৯ আক্রান্তদের অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা সংক্রান্ত হেল্পলাইন নম্বর: ০৩৩-৪০৯০২৯২৯)

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন