আবাসিকদের সংখ্যা বাড়ছে নিউ টাউনে। নতুন নতুন আবাসন ও আবাসিক বাড়ি তৈরি হচ্ছে সেখানে। তা সত্ত্বেও এত দিন সেখানে কোনও সরকারি হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ছিল না। হিডকো এ বার সেই স্বাস্থ্যকেন্দ্র খুলতে উদ্যোগী হয়েছে নিউ টাউনে। এর জন্য স্বাস্থ্য দফতরের সঙ্গে কথাও বলেছে হিডকো। আধিকারিকেরা জানান, নিউ টাউনের ইউটিলিটি বিল্ডিং এর একতলায় ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্র খোলার জন্য হিডকো ইতিমধ্যেই জায়গা দিয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমেই হেল্থ সেন্টারটি খোলা হবে বলে হিডকো সূত্রে খবর।

নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, নিউ টাউনের কনভেনশন সেন্টারে বেঙ্গল বিজনেস সামিট শুরু হচ্ছে ৬ ফেব্রুয়ারি। চলবে ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। সেই সময়ে ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উদ্বোধনের চেষ্টা হচ্ছে। কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে যাতে প্রাথমিক চিকিৎসায় দেরি না হয় তার জন্যই ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্র খোলা হচ্ছে। সেখানে আউটডোর সংক্রান্ত সব চিকিৎসারই ব্যবস্থা থাকবে বলে কর্তৃপক্ষ দাবি করেছেন।

নিউ টাউনে বেশ কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতাল এবং নার্সিংহোম রয়েছে। কিন্তু এ পর্যন্ত সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবার কোনও ব্যবস্থা হয়নি। এলাকার মধ্যবিত্ত বাসিন্দারা অসুস্থ হলে বেসরকারি হাসপাতাল বা নার্সিংহোমে বেশি টাকা খরচ করে ভর্তি হতে 

বাধ্য হন। তার বাইরে প্রচুর মানুষ প্রতিদিন কর্মসূত্রে নিউ টাউনে আসেন। ফলত একটি সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চাহিদা সেখানে অনেক দিন ধরেই ছিল।

হিডকো জানায়, ইউটিলিটি বিল্ডিং এর একতলায় ২৬৭৫ বর্গফুট জায়গা বরাদ্দ করেছে। হিডকোই চেয়ার, টেবিল, ফ্রিজ, আলমারি-সহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দিয়ে জায়গাটি সাজিয়ে দিয়েছে। 

হিডকোর এক কর্তা জানান, নিউ টাউন এলাকায় বর্তমানে ৬০ থেকে ৭০ হাজার লোকের বাস। দিনে দিনে আরও বসতি বাড়বে। ফলে সেখানে এই ধরনের স্বাস্থ্যকেন্দ্রের প্রয়োজনীয় অনুভব করছে প্রশাসনও। তবে রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তী অবশ্য এই স্বাস্থ্যকেন্দ্র নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। হিডকোর চেয়ারম্যান দেবাশিস সেনও কিছু বলতে চাননি।