তারিখ পিছলে সমস্যা নেই, তবে রথযাত্রা হবেই। লালবাজারে প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক সেরে বেরিয়ে জানিয়ে দিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

রথযাত্রার আয়োজন নিয়ে বিজেপি ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকারের মধ্যে টানাপড়েন চলছিল বেশ কিছুদিন ধরে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে, বিষয়টি আদালত পর্যন্ত পৌঁছয়। যার পর কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বনাথ সমাদ্দারের ডিভিশন বেঞ্চআলাপ আলোচনার মাধ্যমে দু’পক্ষকে বিষয়টি মিটিয়ে ফেলতে বলে। নিরাপত্তা সংক্রান্ত সবকিছু স্থির করে ফেলার নির্দেশও দেয় আদালত।

সেই নির্দেশ মেনেই এ দিন বিকেলে প্রস্তাবিত রথযাত্রা নিয়ে লালবাজারে কলকাতা পুলিশের সদর দফতরে বৈঠক বসে সরকার ও রাজ্য বিজেপির। রাজ্য সরকারের তরফে বৈঠকে হাজির ছিলেন মুখ্যসচিব মলয় দে, স্বরাষ্ট্র সচিব অত্রি ভট্টাচার্য এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি বীরেন্দ্র। আগামী শনিবারের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে বলে রাজনৈতিক মহল সূত্রে জানা গিয়েছে।

 

 

আরও পড়ুন: শিলিগুড়িতে প্রধানমন্ত্রীর সভা বাতিল, কবে আসতে পারেন মোদী? অন্ধকারে বিজেপি​

আরও পড়ুন: অসমে তৃণমূলের ভরাডুবি, বাঙালি এলাকাতেও প্রায় সর্বত্র হার

বিজেপির পক্ষ থেকে প্রথমে বৈঠকে হাজির থাকার কথা ছিল মুকুল রায়, জয়প্রকাশ মজুমদার এবং প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। শেষ মুহূর্তে প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও জয়প্রকাশ মজুমদারের বদলে বৈঠকে হাজির হন দিলীপ ঘোষ এবং এ রাজ্যে বিজেপির কেন্দ্রীয়  পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়। বৈঠক থেকে বেরিয়ে দিলীপ বলেন, “রাজ্য সরকারের উচ্চস্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা হয়েছে। রথযাত্রা নিয়ে শান্তিপূর্ণ আলোচনা হয়েছে আমাদের মধ্যে। সাফ জানিয়েছি, তারিখ আগুপিছু হলে সমস্যা নেই। তবে পূর্ব নির্ধারিত পথ ধরেই রথযাত্রা এগোবে।’’

তিনি আরও বলেন, ‘‘ মিটিং-মিছিল এবং অনুষ্ঠান সূচিও একই থাকবে। সব কিছু শুনেছেন ওঁরা। সিদ্ধান্ত নিতে কিছু দিন সময় চেয়েছেন। তবে একটু সময় থাকতে জানাতে বলেছি। যাতে সর্বভারতীয় নেতাদের খবর দিতে পারি। রথযাত্রার জন্য ওঁদের সময় পাওয়া যায়। অনুমতি পেলে সেই মতো হিসাব করে রথযাত্রা বের করব আমরা”