• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

দুই স্টেশনে পরিকাঠামো খতিয়ে দেখলেন ডিআরএম

Kaliyaganj
প্রতীকী ছবি।

রাধিকাপুর থেকে সকালে কলকাতা যাতায়াতে ট্রেন চালু নিয়ে আশা না দিলেও, বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তা রয়েছে বলে জানালেন উত্তর-পূর্ব রেলের কাটিহার ডিভিশনের ডিআরএম রবীন্দ্রকুমার বর্মা। 

রেল সূত্রে খবর, বিশেষ ট্রেনে বুধবার সকাল ১০টা নাগাদ কালিয়াগঞ্জ স্টেশনে পৌঁছন তিনি। স্টেশন পরিদর্শনের পরে যান রাধিকাপুর স্টেশনে। সূত্রের খবর, রাধিকাপুর স্টেশনের সুরক্ষা বিষয় খতিয়ে দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। কবে কবে সিগন্যাল ব্যবস্থা ও রেল লাইন চেক হয়েছে, তার ডায়েরি দেখতে চান। সঙ্গে এই দুই দফতরের কাজ করার পদ্ধতি পরীক্ষামূলক ভাবে দেখেন। তবে, দুই দফতরের আধিকারিকেরা নিয়মিত কাজের ডায়েরি দেখাতে না পাড়ায় ক্ষুব্ধ হন ডিআরএম। সিগন্যাল ও রেল লাইনের সুরক্ষা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশের পাশাপাশি দফতরের দায়িত্বে থাকা দুই কর্মীর নাম তালিকাভুক্ত করারও নির্দেশ দেন।

রেল সূত্রের খবর, রাধিকাপুর থেকে কলকাতা রাতের ট্রেনে বর্তমানে ২০টি বগি রয়েছে। যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে তিন থেকে চারটি বগি বাড়াতে উদ্যোগী হচ্ছেন 

ডিআরএম। ইতিমধ্যেই বাঙ্গালবাড়ি স্টেশনে রেক পয়েন্ট হওয়া নিয়ে যে প্রচার চলছিল, তা নিয়ে বলতে গিয়ে ডিআরএম বলেন, ‘‘তেমন কোনও প্রস্তাব নেই।’’ রাধিকাপুর মডেল স্টেশনের কাজ ধীর গতিতে চলার ব্যাপারে তিনি জানান, তদারকি করা হবে। এর পরে রাধিকাপুর থেকে স্পেশাল ট্রেনেই তিনি বালুরঘাটে রওনা হন। এ দিন ডিআরএম-এর সঙ্গে ছিলেন সিনিয়র ডিভিশনাল কমার্শিয়াল ম্যানেজার, সিনিয়র ইঞ্জিনিয়ার ও অন্য আধিকারিকেরা। রাধিকাপুর স্টেশনে ডিআরএমের সঙ্গে দেখা করতে আসেন উত্তর দিনাজপুর জেলা পরিষদের সদস্য তথা বিজেপি নেতা কমলচন্দ্র সরকার। তিনি বলেন, ডিআরএম বলেছেন খুব শীঘ্র কলকাতা যাওয়ার সকালের ট্রেন চালু হচ্ছে।

রায়ঞ্জের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরী অবশ্য বলেন, ‘‘ফেব্রুয়ারিতে চালু হতে চলেছে হাওড়া থেকে রাধিকাপুরগামী এক্সপ্রেস ট্রেন। ১২ ফেব্রুয়ারি বাজেট অধিবেশন শেষ হবে। এর পরেই একটি নির্দিষ্ট দিন ঠিক করে ওই ট্রেন চালু করা হবে।’’

এ দিন গঙ্গারামপুর স্টেশনের পরিকাঠামোও খতিয়ে দেখেন ডিআরএম। সূত্রের খবর, গঙ্গারামপুর স্টেশনের পরিকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য রেল মন্ত্রক প্রায় ন’কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। তাতে স্টেশনের ৬২৮ মিটার প্ল্যাটফর্ম সংস্কার করে উঁচু করা হচ্ছে। বসানো হচ্ছে অত্যাধুনিক সিগন্যাল। 

তৈরি হচ্ছে যাত্রী প্রতীক্ষালয়। এই কাজ মার্চের মধ্যেই শেষ করার কথাও জানানো হয়েছে। সেই কাজের অগ্রগতিই খতিয়ে দেখলেন ডিআরএম। তিনি বলেন, ‘‘দ্রুত কাজ শেষ করতে চেষ্টা করছি। কাজ কেমন হচ্ছে, তা দেখা হল।’’ এ দিকে, ডিআরএমের কাছে স্টেশনের আরও কিছু পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য দাবিপত্র দেয় গঙ্গারামপুর রেল উন্নয়ন কমিটি। কমিটির সম্পাদক অজয় দাস জানান, স্টেশনে দ্বিতীয় প্ল্যাটফর্ম এবং ফুট ওভারব্রিজ তৈরির আবেদন জানানো হয়েছে।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন