• শুভঙ্কর চক্রবর্তী 
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

মজুরির প্রত্যাশা উত্তরে

Tea Garden
—ফাইল চিত্র

Advertisement

চা বাগান শ্রমিকদের নূন্যতম মজুরি ঘোষণার দাবি নিয়ে আলোচনা করতে চেয়ে পুজোর আগেই মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি পাঠিয়েছিল ২৩টি সংগঠনের যৌথ মঞ্চ জয়েন্ট ফোরাম। প্রতিনিধিদল নিয়ে শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটকের সঙ্গে পুজোর আগেই দেখা করে এসেছেন তৃণমূলের চা শ্রমিক সংগঠনের নেতারা। সোমবার শিলিগুড়িতে আসবেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সফরের আগে ফের ন্যূনতম মজুরি ঘোষণার দাবিতে সরব পাহাড়, তরাই ও ডুয়ার্সের বিভিন্ন চা শ্রমিক সংগঠনগুলি। চলতি সফরে উত্তরকন্যা থেকেই ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা করুন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এমনটাই চাইছেন শ্রমিক নেতাদের অনেকে। মুখ্যমন্ত্রী চাইলে তাঁর সঙ্গে আলোচনাতেও বসতে চান তাঁরা।


শ্রম দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ন্যূনতম মজুরি কার্যকর করতে ২০১৬ সালে একটি সরকারি কমিটি তৈরি করে রাজ্য। সেই কমিটিতে শ্রমিক, মালিক ও রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিরা আছেন। এখন পর্যন্ত কমিটির ১২টি বৈঠক হয়েছে। কমিটির সদস্য জিয়াউল আলম জানিয়েছেন, তাঁরা রাজ্যের কাছে রিপোর্ট জমা দিয়ে দিয়েছেন। উল্টো দিকে শ্রমমন্ত্রী জানান, তাঁদের কাছে কোনও পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা পরেনি। ন্যূনতম মজুরি নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছতে পারেনি শ্রমিক ও মালিক পক্ষ। যদিও কমিটির সদস্যদের একাংশের দাবি, রাজ্য প্রশাসনিক ক্ষমতার ভিত্তিতে যে ভাবে বটলিফ কারখানার শ্রমিকদের জন্য ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা করেছে, সে ভাবেই বাগান শ্রমিকদের জন্য মজুরি ঘোষণা করুক। চলতি সফরে মজুরি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী আশার কথা শোনাবেন বলেই মনে করছেন তৃণমূলের চা শ্রমিক সংগঠন তরাই-ডুয়ার্স প্ল্যানটেশন ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাদল দাশগুপ্ত। ‘‘তিনি বলেন, আমরা আশাবাদী।’’


জয়েন্ট ফোরামের যুগ্ম আহ্বায়ক মণিকুমার ডার্নাল বলেন, ‘‘রাজ্য সরকার যে কমিটি তৈরি করেছিল তার কাজ শেষ। এখন শুধু ঘোষণার অপেক্ষা।’’ ন্যূনতম মজুরি ঘোষণার দাবিতে সরব হয়েছেন বিনয়পন্থী মোর্চার চা শ্রমিক সংগঠন দার্জিলিং, তরাই, ডুয়ার্স প্ল্যানটেশন লেবার ইউনিয়নের নেতারাও। সংগঠনের সভাপতি করুণা গুরুং বলেন, ‘‘ন্যূনতম মজুরি প্রতিটি চা শ্রমিকেরই দাবি। আমরা চাই মুখ্যমন্ত্রী উত্তরকন্যা থেকেই এই নিয়ে ঘোষণা করুন।’’ পাহাড়ের বাগানগুলির বোনাস সমস্যা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন জিএনএলএফের চা শ্রমিক সংগঠন হিমালয়ান প্ল্যানটেশন ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সভাপতি ডিকে গুরুং। সিটুর দার্জিলিং জেলা সম্পাদক সমন পাঠক বলেন, ‘‘আমরা চাই ন্যূনতম মজুরি ঘোষণার সঙ্গে কবে পাহাড়ের চা শ্রমিকরা ১০৪ দিনের বন্‌ধের আর্থিক সাহায্য পাবে, তা জানাক সরকার।’’

সবাই যা পড়ছেন

Advertisement

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন
বাছাই খবর

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন