• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

কিশোরী খুনে ধৃত দুই ভাই

Arrest
প্রতীকী ছবি।

এক জন জাপটে ধরেছিল তাকে। অন্য জন গলায় ওড়নার ফাঁস জড়িয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করে দশম শ্রেণির ছাত্রীকে। মৃত্যু নিশ্চিত করতে ইট দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হয়। তার পরে প্রমাণ লোপাটে গর্ত খুঁড়ে পুঁতে দেওয়া হয় দেহ।

মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরে ছাত্রীর দেহ উদ্ধার হওয়ার ১২ ঘন্টার মধ্যেই খুনের কিনারা করল পুলিশ। ওই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে দুই তুতো ভাইকে। পুলিশ জানায়, ধৃতদের বাড়ি চাঁচলের ধানগাড়ায়। তাদের নাম সাহাবুল হক ও শামিম আখতার। সাহাবুলের সঙ্গে ওই কিশোরীর সম্পর্ক ছিল বলে পুলিশ জানতে পেরেছে।

তদন্তকারীরা জানান, নিহত ছাত্রীর মোবাইল ফোন না মিললেও সংশ্লিষ্ট পরিষেবা সংস্থার কাছ থেকে তার ‘কল-লিস্ট’ সংগ্রহ করে পুলিশ। তার সূত্র ধরেই বুধবার গভীর রাতে দুই যুবককে গ্রেফতার করা হয়। প্রমাণ লোপাট করতেই তাকে খুন করার পরে গর্তে পুঁতে দেওয়া হয়েছিল বলে ধৃতরা জেরায় স্বীকার করেছে বলে পুলিশ দাবি করেছে। তবে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছিল কি না তা নিয়ে মুখ খোলেনি ধৃতরা। ধৃত দু’জনকে এ দিন চাঁচল মহকুমা আদালতে পেশ করে সাত দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। চাঁচলের এসডিপিও সজলকান্তি বিশ্বাস বলেন, ‘‘জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।’’

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার বাড়ি থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে দেগুন এলাকায় পাটের খেতে একটি গর্ত থেকে ওই কিশোরীর দেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতদের জেরা জানা গিয়েছে, তিন মাস আগে সাহাবুলের সঙ্গে ওই কিশোরীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ১৯ মে ওই ছাত্রী বাড়ি থেকে বেরিয়ে সাহাবুলের পিসতুতো ভাই শামিমের বাড়িতে ওঠে। কিন্তু বিয়ের কথা বলে ডেকে নিয়ে গেলেও সাহাবুল তাকে পরে বিয়ে করতে অস্বীকার করে। কিন্তু পুলিশের ভয়ে তাকে খুনের ছক কষে দুই ভাই। ২৩ মে রাতে সাহাবুলের সঙ্গে বিয়ের বন্দোবস্ত করা হয়েছে বলে তাকে নিয়ে বের হয় শামিম। পরে দু’জনে মিলে তাকে খুন করে দেহ পুঁতে দেয়। ওই ঘটনায় ধৃতদের পরিবারের ভূমিকা কী ছিল, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন