দুবাইয়ে যোগাসন প্রতিযোগিতায় সোনা জিতে পুরুলিয়ায় ফিরলেন আশা ভট্টাচার্য। দিনআনা দিন খাওয়া পরিবারে এখন একরাশ স্বপ্ন তাঁকে নিয়েই। প্রতিযোগিতার অন্য একটি ইভেন্টে সোনা জিতেছেন আশার কোট ফটিক ধীবরও।

গত সেপ্টেম্বরে চন্দননগরে যোগাসন প্রতিযোগিতায় সাফল্যের নিরিখে আশার কাছে দুবাইয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছিল। ফটিক জানান, প্রতিযোগিতাটির নাম ‘তৃতীয় দুবাই ইন্টারন্যাশন্যাল যোগ চ্যাম্পিয়নশিপ অ্যান্ড কনফারেন্স, ২০১৮’। আয়োজক দুবাইয়েরই দু’টি সংস্থা। ১৬ নভেম্বর সেখানে আশা মেয়েদের একটি বিভাগে সোনা জিতেছে। 

ফটিকবাবু জানাচ্ছেন, প্রতিযোগিতায় যোগ দিতে যাওয়ার খরচ নিজেদেরই জোগাড় করতে হয়েছিল। পাশে দাঁড়িয়েছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সংস্থা, ব্যক্তি। ফটিক নিজেও ওই প্রতিযোগিতায় যোগ দিয়েছিলেন। তিনিও সোনা জিতেছেন। এই সাফল্যের পরে পুরুলিয়ায় যোগাসনের চর্চা বাড়বে বলে প্রত্যাশা তাঁর। আশার বাবা নিমাই ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘মেয়েটা নিজের চেষ্টাতেই এতটা করেছে।’’ আর আশা বলছেন, ‘‘অনেক প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করেছি। নতুন ছেলেমেয়েরা শরীর চর্চায় এলে ভাল লাগবে।’’

শহরের জোড়া সোনা আসায় খুশি পুরপ্রধান সামিমদাদ খান। তিনি বলেন, ‘‘মঙ্গলবার আশা শহরে ফিরেছেন। আমরা পুরুলিয়া স্টেশন থেকে শোভাযাত্রা করে বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছি। ওঁকে সংবর্ধনাও দেওয়া হয়েছে।’’ আশার সাফল্যের বিষয়টি তুলে ধরতে পুরসভা শহরের বিভিন্ন মোড়ে হোর্ডিংও দিয়েছে।

পুরুলিয়ার জেলাশাসক অলকেশপ্রসাদ রায় বলেন, ‘‘আশার এই সাফল্যের জন্য আমরা ওঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছি।’’ তাঁর দাবি, প্রতিযোগিতায় যোগ দিতে যাওয়ার আগে আশাকে সহায়তাও করা হয়েছিল।