নিয়মিত পড়াশোনা, মুখস্থ না করে বুঝে বুঝে পড়া— এই মন্ত্রেই সাফল্য। গুরগাঁওয়ের ছাত্রী আরশা সাইরাহ জকোশি চলতি বছর সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন-এর (সিবিএসই) প্রথম পর্বের ফলে ৬০০-এ ৬০০ পেয়েছে। সব বিষয়ে পূর্ণ নম্বর। সম্ভাব্য প্রথম হিসাবে নাম উঠতে চলেছে তার।
গুরগাঁওয়ের দ্য মৌর্য স্কুলের ছাত্রী আরশা প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেনি এই ফলের কথা। তার নাকি মনে হচ্ছিল কোনও স্বপ্ন। তবে বাস্তবে ফিরে আরশা নিজের ফলের কৃতিত্ব দিয়েছে তাঁর পরিবার ও শিক্ষকদের।
নিয়মিত পড়াশোনা এবং ধারাবাহিকতায় বিশ্বাসী বছর ষোলোর ছাত্রী। পাঠ মুখস্থ করার বদলে যুক্তি খোঁজার চেষ্টা করে আরশা। কোনও কিছু যদি খুব খুঁটিয়ে বুঝে পড়া যায় তা হলে পরীক্ষার খাতায় তার প্রতিফলন ভাল হয় বলেই মনে করে সে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নভাবে লেখা, গুরুত্বপূর্ণ শব্দের ব্যবহার এবং সঠিক পদ্ধতিতে উত্তর লিখলেই পূর্ণমান পাওয়া সম্ভব বলে মনে করে সে।
আরও পড়ুন:
তবে নিজের মানসিক সুস্থতাকে সব থেকে বেশি গুরুত্ব দেয় আরশা। পড়াশোনার চাপ রয়েছে, তার মধ্যে অযথা সময় নষ্ট করার পক্ষপাতী নয় সে। কিন্তু তা বলে একটানা পড়াশোনা করতেও পছন্দ করে না। পরীক্ষার ঠিক আগেও নিয়মিত বিরতি নিত সে, জানিয়েছে আরশা নিজেই। পড়ার বইয়ে চোখ বোলাতে বোলাতে মন বিক্ষিপ্ত হয়ে যেতে পারে। তখন পাঁচ-দশ মিনিট হলেও, গান শোনা, নিজের সঙ্গে সময় কাটায় আরশা। সে মনে করে, এই নিজের সঙ্গে কাটানো সময়টুকু তাকে পরিশ্রান্ত হতে দেয় না।
ভবিষ্যতে কী করবে আরশা?
তার ইচ্ছে সমাজে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এমন কোনও বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করার। নিজের কাজের মাধ্যমে সমাজের জন্য কিছু করতে চায় আরশা। ইতিবাচক মন নিয়ে একাদশে পা দিতে চলেছে আরশা সাইরাহ জকোশি।