Advertisement
E-Paper

সাধারণ মানুষকে সাক্ষর করতে ‘উল্লাস’ প্রকল্প শুরু রাজ্যের, নিরক্ষরতা দূর করতে কেন্দ্রের প্রকল্পেই সায় রাজ্যের

‘আন্ডারস্ট্যান্ডিং অফ লাইফলং লার্নিং ফর অল ইন সোসাইটি’ বা ‘উল্লাস’ মূলত সাধারণ মানুষকে সাক্ষর করে তোলার জন্য। মূলত সমাজের যে অংশে শিক্ষার আলো পৌঁছায়নি বা যেখানে নিরক্ষরের সংখ্যা বেশি সেই সব এলাকাগুলিতে দ্রুত এই সাক্ষরতার অভিযান শুরু হবে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৯ মে ২০২৬ ১৮:৩৩

— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

সমাজের সর্বত্র সাধারণ মানুষকে ‘শিক্ষিত’ কর তুলতে উদ্যোগী হল রাজ্য সরকার। স্কুলশিক্ষা দফতর সূত্রের খবর, রাজ্যে চালু হচ্ছে ‘উল্লাস’ নামের কেন্দ্রীয় সরকারের একটি প্রকল্প। নতুন ভারতের সাক্ষরতা কার্যক্রমের (এনআইএলপি) অংশ হিসেবে রাজ্য সরকার এই প্রকল্পকে বাস্তবায়িত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

স্কুলশিক্ষা দতফতরের এক কর্তা জানান, ‘আন্ডারস্ট্যান্ডিং অফ লাইফলং লার্নিং ফর অল ইন সোসাইটি’ বা উল্লাস মূলত সাধারণ মানুষকে সাক্ষর করে তোলার জন্য। মূলত সমাজের যে অংশে শিক্ষার আলো পৌঁছায়নি বা যেখানে নিরক্ষরের সংখ্যা বেশি সেই সব এলাকাগুলিতে দ্রুত এই সাক্ষরতার অভিযান শুরু হবে। কেন্দ্রীয় সরকার ২০২২ সালে এই প্রকল্প শুরু করে। ২০২৭ সালের মধ্যে গোটা দেশে ১০০ শতাংশ মানুষকে সাক্ষর করার পরিকল্পনা করা হয়। কিন্তু এতদিন এই প্রকল্পতে রাজ্যকে যুক্ত করেনি বিগত তৃণমূল সরকার। এ বার রাজ্যে পালাবদলের পরে উল্লাস প্রকল্পতে নিজেদের যুক্ত করল রাজ্য সরকার।

কী ভাবে হবে এই প্রকল্প?

স্কুলশিক্ষা দফতরের এক কর্তা জানান, এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত করার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ জনশিক্ষা ও প্রসার বিভাগ, ‘স্টেট কাউন্সিল অফ এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং’ (এসসিইআরটি), ‘ডিস্ট্রিক্ট ইনস্টিটিউট অফ এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং’ (ডায়েট), এবং বিভিন্ন ব্লকের রিসোর্স সেন্টারের উপরে। সিদ্ধান্ত হয়েছে যে এই বিভাগগুলি প্রথমে স্বেচ্ছাসেবক ঠিক করবে। এরপরে ওই স্বেচ্ছা সেবকদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে নির্দিষ্ট কিছু এলাকা। অর্থাৎ, ওই এলাকাগুলিতে বসবাসকারী মানুষকে সাক্ষর করার দায়িত্ব দেওয়া হবে তাঁদের। একদম প্রথমে সেই মানুষদের নির্বাচন করতে হবে যঁদের মধ্যে অক্ষর চিনতে বা পড়তে পারার ক্ষমতা নেই। এর পরে এই ব্যক্তির যাবতীয় তথ্য তুলে দিতে হবে নির্দিষ্ট একটি অ্যাপে। এর মাধ্যমে সরাসরি কেন্দ্র সরকারও জেনে নিতে পারবে যে কোন জেলায় বর্তমানে এই কাজ চলছে। এরপরে পর্যায়ক্রমে ওই সব নিরক্ষর মানুষদের প্রাথমিক শিক্ষা দেওয়া শুরু করবেন ওই স্বেচ্ছাসেবকেরা।

দফতরের এক কর্তা জানান, প্রাথমিক শিক্ষা, বৃত্তিমূলক শিক্ষা, গণিত ও সাহিত্যের প্রাথমিক পাঠ দেওয়া হবে তাঁদের। প্রতি সপ্তাহে কতটা উন্নতি হচ্ছে সেটাও আপলোড করতে হবে ওই নির্দিষ্ট অ্যাপে। এ ভাবে ২০২৭ সালের মধ্যে ওই সব মানুষকে শিক্ষিত করে তুলতে। পর্যায়ক্রমে এ ভাবেই পড়ুয়ার সংখ্যা বাড়তে থাকবে বলে জানান তিনি। কিন্তু এখানে প্রশ্ন থেকে যায় এই স্বেচ্ছাসেবক কারা হবেন?

তিনি জানান, যে কোনও শিক্ষক এই কাজ করতে পারেন। সমাজের যে কোনও স্তরের যে কেউ এ ক্ষেত্রে প্রশিক্ষক হিসেবে বিবেচিত হবে। অবশ্য তার আগে দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভাগগুলি তাঁদের যোগ্যতা যাচা‌ই করে নেবেন।

WB Government School education department
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy