খুনের দু’দিনের মধ্যেই বাগুইআটি কাণ্ডের কিনারা করল পুলিশ। ঘটনায় অভিযুক্ত সন্দেহে বৃহস্পতিবার রাতে কুলতলি থেকে দু’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতেরা সুভদ্রার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়।

লুঠের উদ্দেশেই সুভদ্রাকে খুন করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন। যদিও খুনের পর সুভদ্রার ঘর থেকে মাত্র ৪২০ টাকা এবং কিছু সোনার গয়না পায় অভিযুক্তেরা।

ধৃতদের জেরা করে পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার দিন ওই দুই ব্যক্তি সুভদ্রার বাগুইআটির ফ্ল্যাটে আসে। রাতের খাওয়া সেখানেই সারেন তারা। এর পর সুভদ্রাকে খুন করে তারা। ধৃতদের কাছ থেকে লুঠ হওয়া টাকা এবং একটি গয়না উদ্ধারও করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, সুভদ্রার কাছে প্রচুর টাকা রয়েছে বলে তাঁর আত্মীয়েদের ধারণা ছিল। বেশ কয়েক দিন ধরেই তাঁকে টাকার জন্য চাপ দিচ্ছিল তারা। সুভদ্রা টাকা দিতে রাজি হননি। সে কারণেই পরিকল্পনা করে তারা ওই দিন তাঁর ফ্ল্যাটে আসে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাগুইআটির অশ্বিনীনগরের একটি ফ্ল্যাটের স্নানঘর থেকে সুভদ্রার মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃতদেহের পাশে পাওয়া যায় একটি বালিশ। পরে জানা যায়, মাথায় নোড়া দিয়ে আঘাত করা হয় তাঁকে। পরে মৃত্যু নিশ্চিত করতে বালিশ দিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়। বছর দশ আগে কলকাতার কাজের খোঁজে আসা সুভদ্রা যৌন পল্লিতে পাচার হয়ে গিয়েছিলেন। তার পর থেকেই তিনি অন্ধকার জগতে চলে গিয়েছিলেন।