Advertisement
Back to
Presents
Associate Partners
Arvind Kejriwal

কেজরী-মামলায় প্রচারে জামিনের বিরোধিতা ইডি-র

হলফনামায় ইডি দাবি করেছে যে, প্রচার করার জন্য কাউকে কখনও জামিন দেওয়া হয়নি, কেজরীওয়ালকে দলীয় প্রার্থীর হয়ে প্রচারের জন্য জেল থেকে ছাড়া হলে ভুল নজির তৈরি হবে।

arvind kejriwal

অরবিন্দ কেজরীওয়াল। —ফাইল চিত্র।

সংবাদ সংস্থা
নয়াদিল্লি শেষ আপডেট: ১০ মে ২০২৪ ০৭:৪৪
Share: Save:

চলতি লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রচার করতে দেওয়ার জন্য জামিন চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দিয়েছিলেন তিহাড় জেলে বন্দি আম আদমি পার্টির (আপ) শীর্ষ নেতা অরবিন্দ কেজরীওয়াল। মঙ্গলবার হলফনামায় তার বিরোধিতা করেছে ইডি। তাদের বক্তব্য, আইন সবার জন্য এক আর নির্বাচনে প্রচার করতে পারা মৌলিক, সাংবিধানিক এমনকি আইনি কোনও অধিকার নয়।

গত ২১ মার্চ আবগারি দুর্নীতি মামলায় ইডি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়ালকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর জামিনের আর্জির প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব খন্না এবং দীপঙ্কর দত্তের বেঞ্চ পর্যবেক্ষণে বলেছিল, কেজরীওয়াল নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী। স্বভাবতই অপরাধী নন। বলা হয়েছিল, নির্বাচনী বিশেষ সময় চলছে এখন। ইডি এর পাল্টা যুক্তি দিয়ে বলেছে, গত পাঁচ বছরে দেশে ১২৩টি ভোট হয়েছে। প্রচারের জন্য জামিন দেওয়া হলে কোনও রাজনীতিককেই আর বিচারবিভাগীয় হেফাজতে ধরে রাখার জো থাকবে না।

হলফনামায় ইডি দাবি করেছে যে, প্রচার করার জন্য কাউকে কখনও জামিন দেওয়া হয়নি, কেজরীওয়ালকে দলীয় প্রার্থীর হয়ে প্রচারের জন্য জেল থেকে ছাড়া হলে ভুল নজির তৈরি হবে। ভোটে প্রচার করা রাজনীতিকের পেশার মধ্যেই পড়ে এবং সে ক্ষেত্রে সমানাধিকারের প্রশ্নে ছোট চাষি কিংবা ব্যবসায়ীরাও পেশাগত প্রয়োজনের কথা বলে জামিন চাইতে পারেন। আর কেজরীওয়াল যে লোকসভা ভোটের প্রার্থীও নন, সেই বিষয়েও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি সুপ্রিম কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

আবগারি দুর্নীতির মামলাতেই জেলে বন্দি দিল্লির উপ মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসৌদিয়ার জামিনের শুনানিতে শীর্ষ আদালত যে বলেছিল আইন সবার জন্য সমান, সেই কথাও হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:
Advertisement

Share this article

CLOSE