Advertisement
২২ জুন ২০২৪

নতুন মন্ত্রিসভায় একজন উপমুখ্যমন্ত্রী থাকছেন, স্পষ্ট ইঙ্গিত অধীরের

আগামী মে মাসে বাংলায় যে সরকার গঠিত হতে চলেছে, তাতে মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি এক জন উপমুখ্যমন্ত্রীও থাকছেন। ইঙ্গিত দিলেন অধীর চৌধুরী। আনন্দবাজার ওয়েবসাইটের জন্য অঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেওয়া এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে অধীরবাবু আত্মবিশ্বাসী, সরকার গড়ছে জোটই।

নিজস্ব প্রতিবেদন
শেষ আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০১৬ ০১:৪৮
Share: Save:

আগামী মে মাসে বাংলায় যে সরকার গঠিত হতে চলেছে, তাতে মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি এক জন উপমুখ্যমন্ত্রীও থাকছেন। ইঙ্গিত দিলেন অধীর চৌধুরী। আনন্দবাজার ওয়েবসাইটের জন্য অঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেওয়া এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে অধীরবাবু আত্মবিশ্বাসী, সরকার গড়ছে জোটই। মুখ্যমন্ত্রী কোন দল থেকে, তা অবশ্য এখনই স্পষ্ট করতে রাজি নন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি।

নির্বাচনের ফল নিয়ে কোনও সংশয় নেই মুর্শিদাবাদের ‘রবিনহুড’-এর মনে। বললেন, ‘‘খুব দ্রুত জনমত ঘুরে যাচ্ছে জোটের পক্ষে।’’ এত আত্মবিশ্বাসের কারণ কী? বাম-কংগ্রেসের এই জোট কি সত্যিই কোনও উপযুক্ত বিকল্প? অধীর চৌধুরী এ বার পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন। বললেন, ‘‘উপযুক্ত বিকল্প বলতে কী বোঝায়? উপযুক্ত বিকল্প মানে কি কোনও এক জন ব্যক্তি? নাকি কোনও একটা বিকল্প রাজনৈতিক সমীকরণ বা সম্মিলিত একটা শক্তি?’’ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির ইঙ্গিত স্পষ্ট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে গড়ে ওঠা ‘ব্যক্তিকেন্দ্রিক’ রাজনীতির চেয়ে কংগ্রেস আর বামদলগুলির নেতৃত্বে থাকা এক ঝাঁক পোড় খাওয়া মুখের সম্মিলিত রাজনৈতিক প্রজ্ঞা অবশ্যই বেশি গ্রহণযোগ্য। এমনটাই বোঝাতে চাইলেন অধীর।

কিন্তু জোট করলেই কি বিকল্প হয়ে ওঠা যায়? শাসক দলের মুখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? বিরোধী জোটের মুখ কে? অধীরের জবাব, ‘‘কোনও মুখ থাকার দরকার নেই। লড়াই দুটো রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে। যে রাজনৈতিক শক্তি জয়ী হবে, তারা মানুষকে মুখ্যমন্ত্রী, উপমুখ্যমন্ত্রী উপহার দেবে।’’

অধীর চৌধুরীর কথায় কিন্তু স্পষ্ট আভাস মিলল, জোট সরকার গড়লে মন্ত্রিসভায় উপমুখ্যমন্ত্রী পদও থাকছে। সেক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী কোন দল থেকে? উপমুখ্যমন্ত্রীই বা কাদের? অধীর কোনও জল্পনাকে প্রশ্রয় দিতে নারাজ। বললেন, ‘‘সে তখন দেখা যাবে। এখন বলা সম্ভব নয়।’’

দেখুন ভিডিও

মুখ্যমন্ত্রী কোন দল থেকে হবেন বা কে হবেন, তা এখনও স্থির হয়নি? নাকি আগে থেকে ঘোষণা করলে অসুবিধা হতে পারে? অস্বস্তি ঝেড়ে ফেলে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির জবাব, ‘‘সুবিধা-অসুবিধার প্রশ্ন নয়। যা হয়নি, তা হয়নি। ভারতের রাজনীতিতে এটাই হয়। সব সময় মুখ্যমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রী প্রজেক্ট করে নির্বাচনে লড়া হয় না। প্রথম ধাপটা মিটে যাক। তার পর পরের ধাপের আলোচনা হবে।’’

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:
Advertisement

Share this article

CLOSE