‘চুনাও কা পর্ব, পশ্চিমবঙ্গ কা গর্ব’— এই স্লোগান সামনে রেখে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে ভোটারদের সচেতনতা বাড়াতে উদ্যোগী হল ভারতের নির্বাচন কমিশন। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই শুক্রবার হাওড়ায় আয়োজন করা হল এসভিইউপি (সিস্টেমেটিক ভোটার এডুকেশন অ্যান্ড ইলেক্টোরাল পার্টিসিপেশন) কর্মসূচির। এই কর্মসূচিতে ছিলেন নির্বাচন কমিশনের ডিরেক্টর জেনারেল (মিডিয়া) আশিস গোয়েল, ডেপুটি ডিরেক্টর অপূর্বকুমার সিংহ, অতিরিক্ত সিইও অরিন্দম নিয়োগী এবং ডেপুটি সিইও সুব্রত পাল।
শুক্রবার সকালে হাওড়া ব্রিজ চেকপোস্ট থেকে শুরু হয় একটি সাইকেল র্যালি। যার পোশাকি নাম সাইক্লোথন। রেল মিউজ়িয়াম হয়ে রামকৃষ্ণপুর ফেরিঘাটে গিয়ে শেষ হওয়া এই র্যালিতে স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী, প্রথম বারের ভোটার এবং বিভিন্ন স্তরের সরকারি আধিকারিকেরা অংশগ্রহণ করেছিলেন। সাইকেল র্যালির পর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ভোটের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। লোকগান, নৃত্য ও নাটকের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভোটদানের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়। পাশাপাশি, ভোটারদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষ নৌকা পরিষেবাও চালু করা হয়।
আরও পড়ুন:
শুক্রবারের এই কর্মসূচির অন্যতম আকর্ষণ ছিল জনপ্রিয় অ্যানিমেশন চরিত্র ‘ছোটা ভীম’ ও ‘চুটকি’র উপস্থিতি। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হল ভোটারদের সচেতন করা, ভোটকেন্দ্র সংক্রান্ত তথ্য দেওয়া এবং সর্বোচ্চ ভোটদানের হার নিশ্চিত করা। এ ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে যুব সম্প্রদায়, মহিলা, শহুরে ভোটার এবং প্রথম বারের ভোটারদের উপর। এ ছাড়া, বাংলার সমৃদ্ধ লোকসংস্কৃতি— যেমন পটচিত্র, ছৌ নাচ, যাত্রা ও বাউল—ব্যবহার করে সচেতনতা প্রচার চালানো হবে। নতুন প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে ইসিআইনেট অ্যাপ, ১০০ শতাংশ ওয়েবকাস্টিং এবং উন্নত ভোটার তথ্য স্লিপ।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
১৩:১৬
ভোটের দু’দিন আগে থেকেই বাইক চালানোয় বিধিনিষেধ জারি করে দিল নির্বাচন কমিশন! কোন কোন ক্ষেত্রে মিলবে ছাড় -
১১:২৫
ভোট মিটলে প্রত্যেক গোর্খার নাম ভোটার তালিকায় জুড়ব! নাম বাদ যাওয়া গোর্খাদের প্রতিশ্রুতি শাহের -
২১:৫২
‘গোপন বৈঠক ডেকেছেন শাহ, ১৫০ ঘণ্টায় গুরুতর কিছু ঘটানো হবে পশ্চিমবঙ্গে’! দাবি এবং আশঙ্কাপ্রকাশ তৃণমূলের -
২১:২৯
নিজের কেন্দ্রে জনসংযোগে জোর মুখ্যমন্ত্রীর, ভবানীপুরে একের পর এক আবাসনে প্রচার সারলেন বিদায়ী বিধায়ক মমতা -
২০:২৬
প্রথম দফার ভোটের এলাকায় শুধু নয়, কলকাতা-সহ রাজ্য জুড়ে আচমকাই মদের দোকান বন্ধ হয়ে গেল সোমবার থেকে