Advertisement
E-Paper

‘সম্ভবত বিচারবিভাগীয় কমিশন গড়ছে রাজ্য সরকার’! আরজি কর মামলা থেকে এ বার সরে দাঁড়াল বিচারপতি মান্থার বেঞ্চ

আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক-ছাত্রীর ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় সিবিআই মঙ্গলবার কলকাতা হাই কোর্টে রিপোর্ট পেশ করে। সেই রিপোর্ট আদালত গ্রহণ করে৷

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ মে ২০২৬ ১২:০৪

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক-ছাত্রীর ধর্ষণ ও খুনের মামলা থেকে সরে দাঁড়াল বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বেঞ্চ। ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, ‘‘এই আদালতে মামলার আধিক্য রয়েছে। রাজ্য সরকার সম্ভবত একটি জুডিশিয়াল কমিশন গড়ছে। সুবিচারের স্বার্থে যে ডিভিশন বেঞ্চ পর্যাপ্ত সময় দিতে পারবে, সেই বেঞ্চে মামলার শুনানি হতে পারে বলে আমরা মনে করছি।’’

সিবিআই মঙ্গলবার স্টেটাস রিপোর্ট পেশ করে কলকাতা হাই কোর্টে। সেই রিপোর্ট আদালত গ্রহণ করে৷ আগের শুনানিতে বিচারপতি মান্থার বেঞ্চ জানিয়েছিল, আরজি কর মামলায় যদি প্রয়োজন হয়, সিবিআই নতুন করে সাজাপ্রাপ্ত এবং অন্য সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে। তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে যে কোনও ব্যক্তিকে জেরা করতে পারবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী ওই সংস্থা। সেই নিয়েই স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিল সিবিআই।

গত মার্চে নির্যাতিতার পরিবারের করা মামলা থেকে অব্যাহতি নিয়েছিল বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতি জানিয়েছিলেন, ওই মামলায় আদালত সময় দিতে পারছে না। নির্যাতিতার পরিবারের তরফ থেকে মামলার তাড়াতাড়ি শুনানির জন্য আবেদন করা হচ্ছে। কিন্তু এই আদালতের কাছে মামলাটির পূর্ণাঙ্গ শুনানির জন্য সময় বার করা সম্ভব হচ্ছে না। সময়ের অভাবের জন্য মামলাটি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিচারপতি বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ।

২০২৪ সালের ৯ অগস্ট আরজি করে চিকিৎসক-ছাত্রীর দেহ উদ্ধার হয়। ওই ঘটনার পরের দিনই কলকাতা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়। পরে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে তদন্তভার হাতে নেয় সিবিআই। ২০২৫ সালের ১৮ জানুয়ারি আরজি কর মামলার রায় ঘোষণা করে শিয়ালদহ আদালত। তাতে দোষী সাব্যস্ত হন সঞ্জয়। ২০ জানুয়ারি তাঁর আজীবন কারাবাসের নির্দেশ দেন বিচারক অনির্বাণ দাস। কিন্তু শিয়ালদহ আদালত রায় দেওয়ার আগে হাই কোর্টে একটি আবেদন করেছিলেন নির্যাতিতার মা-বাবা। সিবিআই তদন্ত নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলে উচ্চ আদালতের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের বেঞ্চে সেই আবেদন করা হয়। যদিও বিচারপতি ঘোষ সেই সময় নির্যাতিতার পরিবারের ওই আবেদন শুনতে চাননি। কারণ, তখন সুপ্রিম কোর্টেও আরজি কর মামলা চলছিল।

এর পরে শীর্ষ আদালতেও একই আবেদন করেন নির্যাতিতার মা-বাবা। তা নিয়ে শুনানিও হয়। কিন্তু একই আবেদন নিয়ে কেন সুপ্রিম কোর্টেও শুনানি হবে, সেই প্রশ্ন তোলেন সুপ্রিম কোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খন্না। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয়, মামলা শুনবে হাই কোর্টই। সেই মামলার শুনানি চলছিল হাই কোর্টে।

RG Kar Case Calcutta High Court

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy