কলকাতার চার জন ‘ট্রাবল মেকার’কে গ্রেফতার করল লালবাজারের গুন্ডাদমন শাখা। এঁদের কারও বিরুদ্ধে আর্মস অ্যাক্ট (অস্ত্র আইন) কারও বিরুদ্ধে অতীতে ঝামেলা পাকানোর ইতিহাস রয়েছে বলে পুলিশের দাবি। ধৃতদের নাম— জয়দেব মালাকার ওরফে ম্যান্ডেলা( টালিগঞ্জ এলাকা), মিন্টু ঘোড়ুই ওরফে বল্টু (পঞ্চসায়র এলাকা), অর্পণ চক্রবর্তী (বাঁশদ্রোণী এলাকা) এবং শাহাদত হোসেন ওরফে শাকা (একবালপুর এলাকা)।
এদের মধ্যে অর্পণের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ছাড়া, মঙ্গলবার শহরের তিনটি এলাকায় নাকা চেকিং-এ মোট ৬ লক্ষ ৩৩ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। জোড়াসাঁকো বিধানসভা এলাকায় বড়তলা থানা ৪ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে। বেলেঘাটা বিধানসভা এলাকার সিআইটি রোড থেকে ১লক্ষ ৩৩ হাজার ৫০০ টাকা এবং ভবানীপুর বিধানসভা এলাকার শেক্সপিয়র সরণি থানা ১ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে।
আরও পড়ুন:
পাশাপাশি, কলকাতা পুলিশ জানিয়েছে নির্বাচন ঘোষণার পর থেকে শহরে ২৪টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৬৭ রাউন্ড গুলি এবং ১৭২টি বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ ১ কোটি ৭১ লক্ষ ২ হাজার ১০২ টাকা উদ্ধার করেছে। পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী মিলে যে নাকা চেকিং এবং যৌথ অভিযান চালাচ্ছে তাতে ১ কোটি ৫১ লক্ষ ৯৩ হাজার ৬৫০ টাকা উদ্ধার হয়েছে। অন্য দিকে, ভোটের আগে কলকাতায় বহিরাগতদের যাতায়াত নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন হোটেল এবং গেস্ট হাউসগুলির দিকেও নজরদারি চলছে বলে লালবাজারের একটি সূত্র জানাচ্ছে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
২০:২৮
এক দিকে এক জন মহিলা, অন্য দিকে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ইডি, কমিশন কে নেই! তবে মমতার পাশেই মানুষ: অভিষেক -
১৯:৩০
‘অবাধ ভয়মুক্ত বিধানসভা ভোট নিশ্চিত করতে’ হেল্পলাইন চালু করলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, দরকারে কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিত -
১৯:০৮
প্রচারের শেষলগ্নে কোচবিহারে রোড শো ‘ড্রিম গার্ল’ হেমার! কলকাতায় পাত পেড়ে মাছ-ভাত খেলেন অনুরাগ -
১৭:৪০
ভোটের মুখে আবার ভাঙন হুমায়ুনের দলে! আম জনতা উন্নয়ন পার্টি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন আরও চার প্রার্থী -
১৭:২০
প্রচারের শেষ লগ্নে উত্তপ্ত দাঁতন, বিজেপি প্রার্থী-সহ জখম কর্মীরা, থানা ঘেরাও, পাল্টা অভিযোগ তৃণমূলের