রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে অন্যতম হাইপ্রোফাইল কেন্দ্র হিসেবে উঠে এসেছে ভবানীপুর। এই কেন্দ্রে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিজেপির প্রার্থী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই এই কেন্দ্রকে ঘিরে রাজ্য জুড়ে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। সোমবার দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে এই কেন্দ্রে প্রচারপর্ব শেষ করেছেন দুই প্রধান প্রার্থীই। শেষ মুহূর্তের প্রচারে উভয় পক্ষই নিজেদের জয়ের বিষয়ে আশাবাদী বলে জানিয়েছেন। তবে প্রচার শেষ হতেই সামনে এসেছে একাধিক অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের ঘটনা, যা ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
এই পরিস্থিতিতে মুখ খুলেছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ অগ্রবাল। তিনি জানান, ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে প্রচার চলাকালীন দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে বিরক্ত করার অভিযোগ দায়ের করেছে। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি। সিইও স্পষ্ট করে জানান, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট জেলার নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। সেই রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কারণ, ভবানীপুরের মতো সংবেদনশীল কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করা কমিশনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। এ দিকে ভোটের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই এই কেন্দ্রকে ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা। প্রশাসনও পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে বলে জানা গেছে। এখন দেখার, অভিযোগের ভিত্তিতে কমিশন কী পদক্ষেপ নেয় এবং ভোটের দিন পরিস্থিতি কতটা শান্তিপূর্ণ থাকে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
২২:২১
উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা পুলিশ পর্যবেক্ষকের হুঁশিয়ারি-ভিডিয়ো ছড়াতেই ‘এক্তিয়ার’ নিয়ে প্রশ্ন! কী বলছে কমিশনের ‘হ্যান্ডবুক’? -
১৯:৩৫
তিন দিকে কামারহাটি ঘেরা বরাহনগরের একখণ্ড ‘দ্বীপ’! এ বারেও কেউ ভোট চাইতে এল না বেলঘরিয়ার পাড়ায় -
১৯:০৮
৩৬ দিনে ১০০টি কেন্দ্র ছুঁয়েছেন অভিষেক, তবে ‘সেনাপতি’র পা পড়ল না ববি-অরূপদের মতো অনেক নেতা-মন্ত্রীর বিধানসভায় -
১৮:৩১
মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে কুরুচিকর ভিডিয়ো! চোখে পড়তেই পুলিশকে পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিল কমিশন -
১৭:০৪
১২৭ কোটি টাকার মদ বাজেয়াপ্ত ভোটের মরসুমে! গত কয়েকটি নির্বাচনের নিরিখে রেকর্ড, কত লিটার সুরা উদ্ধার