খারাপ আবহাওয়ার কারণে দার্জিলিঙে লেবঙের সভাস্থলে পৌঁছোতে পারল না কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হেলিকপ্টার। বিমানে করে বাগডোগরায় নামলেও সেখান থেকে তাঁর হেলিকপ্টার ওড়ার অনুমতি মেলেনি। সেই কারণে চলে যান মালদহে। সেখান থেকে সাত মিনিটের ভিডিয়োবার্তা পাঠান শাহ। সেই ভিডিয়োতে তৃণমূল সরকারের ‘অপশাসনের’ বিরুদ্ধে সরব হন তিনি।
বুধবার দার্জিলিং এবং কার্শিয়াং বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে জনসভা করার কথা ছিল শাহের। কিন্তু সভাস্থলে পৌঁছোতে না-পারায় ভিডিয়োবার্তায় ভোটপ্রচার সারলেন তিনি। প্রথমেই তিনি জানান, আগামী ২১ এপ্রিল শুকনায় তিনি ভোটপ্রচারে আসবেন। তাঁর কথায়, ‘‘আমি সারা রাজ্য ঘুরে দেখেছি, এ বার এখানে বিজেপির সরকার তৈরি হতে চলেছে।’’ শাহ জানান, বিজেপি সরকার এলে অনুপ্রবেশ আটকানো, সিন্ডিকেটের অবসান, গুন্ডারাজ শেষ হবে! তাঁর কথায়, ‘‘গোর্খা সমস্যার সমাধান নিশ্চিত রূপে হবেই।’’
আরও পড়ুন:
শাহ জানান, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার কারণে তিনি গোর্খা সমস্যার সমাধানের জন্য অনেক চেষ্টা করেছেন। কিন্তু রাজ্য সরকারের সদিচ্ছার অভাবে তা বাস্তবায়িত হয়নি। শাহের কথায়, ‘‘দেড় বছরে আমি তিন বার বৈঠকের কথা বলেছি। কিন্তু মমতাদিদি বা ওঁর কোনও প্রতিনিধি দিল্লি যাননি।’’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এ-ও চেয়েছিলেন তিনি পশ্চিমবঙ্গে এসে বৈঠক করবেন। সময়ও চাওয়া হয়। কিন্তু মমতা সেই সময়ও দেননি বলে দাবি। শাহ বলেন, ‘‘মমতা চান না, দার্জিলিঙে থাকা গোর্খারা ন্যায়, অধিকার পান। আপনারা চিন্তা করবেন না। ৫ মে বিজেপি সরকার গড়ার পর তার প্রথম কাজ হবে গোর্খাদের সমস্যার সমাধান।’’ তিনি আরও প্রতিশ্রুতি দেন, ‘‘গোর্খাদের বিরুদ্ধে যা অভিযোগ, মামলা দায়ের হয়েছে, সব তুলে নেওয়া হবে।’’
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত