Advertisement
E-Paper

নবান্ন অভিযান

খারাপ আবহাওয়ার কারণে দার্জিলিঙের সভায় যেতে পারলেন না শাহ! ভিডিয়োবার্তায় গোর্খা সমস্যার সমাধানের আশ্বাস

বুধবার দার্জিলিং এবং কার্শিয়াং বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে জনসভা করার কথা ছিল শাহের। কিন্তু সভাস্থলে পৌঁছোতে না-পারায় ভিডিয়োবার্তায় ভোটপ্রচার সারলেন তিনি।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৫ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:০১
Amit Shah assures solution to Gorkha problem

অমিত শাহ। — ফাইল চিত্র।

খারাপ আবহাওয়ার কারণে দার্জিলিঙে লেবঙের সভাস্থলে পৌঁছোতে পারল না কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হেলিকপ্টার। বিমানে করে বাগডোগরায় নামলেও সেখান থেকে তাঁর হেলিকপ্টার ওড়ার অনুমতি মেলেনি। সেই কারণে চলে যান মালদহে। সেখান থেকে সাত মিনিটের ভিডিয়োবার্তা পাঠান শাহ। সেই ভিডিয়োতে তৃণমূল সরকারের ‘অপশাসনের’ বিরুদ্ধে সরব হন তিনি।

বুধবার দার্জিলিং এবং কার্শিয়াং বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীদের সমর্থনে জনসভা করার কথা ছিল শাহের। কিন্তু সভাস্থলে পৌঁছোতে না-পারায় ভিডিয়োবার্তায় ভোটপ্রচার সারলেন তিনি। প্রথমেই তিনি জানান, আগামী ২১ এপ্রিল শুকনায় তিনি ভোটপ্রচারে আসবেন। তাঁর কথায়, ‘‘আমি সারা রাজ্য ঘুরে দেখেছি, এ বার এখানে বিজেপির সরকার তৈরি হতে চলেছে।’’ শাহ জানান, বিজেপি সরকার এলে অনুপ্রবেশ আটকানো, সিন্ডিকেটের অবসান, গুন্ডারাজ শেষ হবে! তাঁর কথায়, ‘‘গোর্খা সমস্যার সমাধান নিশ্চিত রূপে হবেই।’’

শাহ জানান, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার কারণে তিনি গোর্খা সমস্যার সমাধানের জন্য অনেক চেষ্টা করেছেন। কিন্তু রাজ্য সরকারের সদিচ্ছার অভাবে তা বাস্তবায়িত হয়নি। শাহের কথায়, ‘‘দেড় বছরে আমি তিন বার বৈঠকের কথা বলেছি। কিন্তু মমতাদিদি বা ওঁর কোনও প্রতিনিধি দিল্লি যাননি।’’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এ-ও চেয়েছিলেন তিনি পশ্চিমবঙ্গে এসে বৈঠক করবেন। সময়ও চাওয়া হয়। কিন্তু মমতা সেই সময়ও দেননি বলে দাবি। শাহ বলেন, ‘‘মমতা চান না, দার্জিলিঙে থাকা গোর্খারা ন্যায়, অধিকার পান। আপনারা চিন্তা করবেন না। ৫ মে বিজেপি সরকার গড়ার পর তার প্রথম কাজ হবে গোর্খাদের সমস্যার সমাধান।’’ তিনি আরও প্রতিশ্রুতি দেন, ‘‘গোর্খাদের বিরুদ্ধে যা অভিযোগ, মামলা দায়ের হয়েছে, সব তুলে নেওয়া হবে।’’

Advertisement
সংক্ষেপে
  • রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
  • পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
সর্বশেষ
৪ মিনিট আগে
Amit Shah Election Campaign
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy