বয়স ৫৬ বছর। চতুর্থ বার বিধানসভা ভোটে প্রার্থী হলেন ব্রাত্য বসু। পিতৃদত্ত নাম ব্রাত্যব্রত বসু। ইতিমধ্যে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন বিদায়ী শিক্ষামন্ত্রী। ঠিক কত সম্পত্তি তাঁর?
টাকাকড়ি
নির্বাচনী হলফনামায় ব্রাত্য জানিয়েছেন, তাঁর হাতে এখন নগদ রয়েছে ৪০ হাজার টাকা। স্ত্রী পৌলোমী বসুর কাছে রয়েছে নগদ ৩০ হাজার টাকা। স্বামী-স্ত্রীর একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অর্থ গচ্ছিত রয়েছে। ব্রাত্যের ছ’টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে রয়েছে ৩ কোটি ৩১ হাজার ১৯১ টাকা। স্ত্রীর নামে ব্যাঙ্কে আছে ১ কোটি ৬ লক্ষ ১২ হাজার ৪৫৬ টাকা।
গাড়ি নেই
আগে একটি মাহিন্দ্রা জিপের মালিক ছিলেন ব্রাত্য বসু। ২০১৪ সালে গাড়িটি কিনেছিলেন। এখন আর ব্রাত্যের নিজস্ব গাড়ি নেই।
গয়নাগাটি
মোটামুটি ১০০ গ্রাম অলঙ্কার রয়েছে ব্রাত্যের। মূল্য ১৫ লক্ষ ৩৩ হাজার টাকা। স্ত্রীর সোনার গয়না এবং অন্যান্য অলঙ্কারের ওজন ৩৮০ গ্রাম। বর্তমান বাজারমূল্য ৫৮ লক্ষ ২৫ হাজার ৪০০ টাকা।
অস্থাবর সম্পত্তি
সোনাদানা, জমানো টাকা, বিনিয়োগ মিলিয়ে ব্রাত্যের অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৩ কোটি ১৬ লক্ষ ৪ হাজার টাকা। স্ত্রীর নামে অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে ২ কোটি ১২ লক্ষ ৫৬ হাজার ৩৩৯ টাকা।
জমিজমা, বাড়ি
স্ত্রী বা ব্রাত্যের কারও নামে কৃষিজমি নেই। অকৃষিজমিও নেই স্বামী-স্ত্রীর কারও। লেক টাউনে আড়াই হাজার স্কোয়ারফুটের একটি বাড়ি রয়েছে ব্রাত্যের। অবশ্য সেটি পারিবারিক সূত্রে পাওয়া। বর্তমানে বাড়িটির বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা। স্থাবর সম্পত্তি বলতে পৈতৃক সূত্রে পাওয়া ওই বাড়িটিই রয়েছে তাঁদের। স্থাবর-অস্থাবর মিলিয়ে সস্ত্রীক বসুর সম্পত্তির পরিমাণ ৬ কোটি টাকার বেশি।
আরও পড়ুন:
সম্পত্তি বৃদ্ধি
২০১১ সালে প্রথম বার ভোট রাজনীতিতে পদার্পণ করেন অধ্যাপক, নাট্যকার, অভিনেতা, লেখক ব্রাত্য বসু। দমদম থেকে তাঁকে প্রার্থী করে তৃণমূল। তখন ব্রাত্য জানিয়েছিলেন, তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ৭৩ লক্ষ টাকা। দেনা সাড়ে ৪ লক্ষ টাকার বেশি। ২০১৬ সালে আবার ওই কেন্দ্র থেকে তাঁকে টিকিট দেয় ঘাসফুল শিবির। সে বার ব্রাত্য জানান, তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ১ কোটি ৯৫ লক্ষ টাকা। পাঁচ বছর পর দমদম থেকে প্রার্থী হন। কমিশনকে দেওয়া হলফনামায় ব্রাত্য জানান, সম্পত্তির পরিমাণ ৩ কোটি ৮ লক্ষ টাকা। ধারদেনা নেই।
শিক্ষা
১৯৯২ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় এমএ ডিগ্রি লাভ করেন বিদায়ী শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য।
মামলাহীন ব্রাত্য
হলফনামায় ব্রাত্য জানিয়েছেন, তাঁর নামে কোনও মামলা নেই।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত